ইত্তেফাক ডেস্ক
স্বল্পমূল্যে চাল ও আটা কিনতে ওএমএস কেন্দ্রে ছুটছেন ক্রেতারা। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও পণ্য কিনতে না পেরে হতাশ হতে হচ্ছে অনেককে। আমাদের প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর।
দিনাজপুর :বাজারে চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিরামপুরের ওএমএসর কেন্দ্রে ভিড় বেড়েছে। দীর্ঘ লাইন ধরে ক্রেতারা চাল ও আটা কিনছে। অনেককে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকেও চাল কিনতে না পেরে হতাশ হয়ে ফিরতে হচ্ছে। সোমবার সরেজমিনে স্থানীয় ঢাকামোড়ে দেখা যায়, দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে হাঁপিয়ে ওঠা ইসলামপাড়ার বৃদ্ধা গীতা রাণী ও পূর্বপাড়ার নাসিমা বেগম মাটিতে বসে আছেন। তারা অভিযোগ করেন, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম থাকায় অনেককেই খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে। সকাল ৯টায় এসে লাইন ধরে বেলা ১২টা পর্যন্ত তারা চাল কিনতে পারেননি।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, পৌর শহরে শুক্রবার ব্যতীত দৈনিক চার জন ডিলারের মাধ্যমে ছয় মেট্রিক টন করে চাল ও চার মেট্রিক টন করে আটা বিক্রি করা হচ্ছে। ডিলারগণ ৩০ টাকা কেজি দরে জনপ্রতি ৫ কেজি করে চাল ও ১৮ টাকা কেজি দরে ৫ কেজি হারে আটা বিক্রি করছেন।
হাতিয়া (নোয়াখালী) :উপজেলার হাতিয়া পৌরসভার ওএমএস কেন্দ্রে কর্মহীন মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। হাতিয়া শহর ওছখালী বাজারের ওএমএস ডিলার নবীর উদ্দিন জানান, প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত ৩০০ জনের মধ্যে চাল ও ২০০ জনের মধ্যে আটা বিক্রি করা হচ্ছে। কিন্তু চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম থাকায় অনেককেই খালি হাতে বাড়ি ফিরে যেতে হচ্ছে। এ ব্যাপারে হাতিয়া আসনের এমপি আয়েশা ফেরদাউস জানান, এ কার্যক্রম পৌরসভায় অব্যাহত রাখাসহ প্রতিটি ইউনিয়নেও চালু করার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছি।
ধামইরহাট (নওগাঁ) :ধামইরহাট পৌরসভার তিনটি পয়েন্টে ওএমএসের কার্যক্রম চলছে। ধামইরহাট পৌরসভার রহিমা খাতুন বলেন, আমি আটা নিতে এসে না পেয়ে ঘুরে যাচ্ছি। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় আমি আটা পাইনি। ধামইরহাট উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ আতাউর রহমান জানান, সরকারি বিধিমোতাবেক সুষ্ঠুভাবে ওএমএস কার্যক্রম পরিচালনার কঠোর নির্দেশনা আছে।