টোকিও অলিম্পিক গেমস পোলভোল্ট নারী লড়াইয়ে স্বর্ণ জয়ী মার্কিন ক্রীড়াবিদ জীবনে চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করেন। নতুন নতুন কাজ করতে পছন্দ করেন। এইটুকু জীবনে অনেক কিছুই করার আছে। নিজেকে নতুন রূপে দাঁড় করোনা কেটি নাজিওট কি-না করেছেন। খেলাটাকে প্রাধান্য দিয়ে পড়াশুনা করেছেন মনোবিজ্ঞান বিষয় নিয়ে। এখানেই শেষ নয়, জ্ঞান অর্জন করাটা একটা সময় তার কাছে নেশা হয়ে গিয়েছিল। নানা বিষয় নিয়ে পড়তে পড়তে ফ্যাশন নিয়েও পড়ার শখ জেগে উঠল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাশল্যান্ড ইউনিভার্সিটিতে ফ্যাশন মর্চেন্ডাইজিংয়ের ওপর দুই বছর পড়াশুনা করেছেন। ফ্যাশন নিয়ে পড়তে চলে আসেন প্যারিসে। প্যারিস ফ্যাশন ইনস্টিটিউটে পড়াশুনা করেছেন। একজন পেশাদার ডিজাইনার হতে হলে যেভাবে মনযোগ দিয়ে পড়তে হবে সেভাবেই সময় দিলেন ফ্যাশন ডিজাইনে। সংবাদমাধ্যমকে কেটি নাজিওট বলেছিলেন, ‘আমি খুবই ভাগ্যবান যে, প্যারিসে একটি ফ্যাশন শোতে থাকার সুযোগ পেয়েছিলাম। আমি সেখানে কিছু ডিজাইনও করেছিলাম যেগুলো আলোচনায় এসেছিল।’
কেটি নাজিওট ছোট বেলায় ছিলেন জিমন্যাস্ট। খেলেছেন, গলফ, সুইমিং, ডাইভিং, স্লোবোর্ডিং। কিন্তু কেটি নাজিওটের টার্গেট ছিল কীভাবে শরীরটাকে আরো শক্তিশালী করা যায়। খেলাধুলা করে নিজেকে গড়ে তোলার একটা মাধ্যম খুঁজলেন কেটি। নিজেই তার কোচকে জানিয়েছিলেন তিনি পোলভোল্টার হতে চান। একদিন অনুশীলন করেও নিজের দক্ষতা দেখিয়েছেন। চার দিন পর ব্র্যাড ওয়াকার এসে জানালেন পোলভোল্ট খেলতে পার। সেই হতে শুরু। এই কোচের কাছে প্রশিক্ষণ নিতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবর্তন করেছিলেন কেটি। কোচ চাকরি পরবর্তন করেছিল কেটিও বিশ্ববিদ্যালয় পরিবর্তন করে চলে আসেন। অবশেষে স্বপ্নের অলিম্পিক পদকও জয় করলেন।