পরমাণু শান্তিচুক্তি পুনরুজ্জীবনের লক্ষ্যে আলোচনায় ফিরে আসার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ইরানের নতুন প্রেসিডেন্টের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক জন মুখপাত্র এই বলে ইরানকে হুঁশিয়ার করে দেন যে, কূটনৈতিক আলোচনার পথ চিরদিনের জন্য খোলা থাকবে না। খবর বিবিসির
২০১৮ সাল হতে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের তত্কালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে করা পরমাণু চুক্তি থেকে বেরিয়ে যান এবং নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। ইব্রাহিম রাইসি বৃহস্পতিবার ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পর বলেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে চলমান নিষেধাজ্ঞার অবসানের জন্য যে কোনো কূটনৈতিক পরিকল্পনায় সমর্থন দেবেন। তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে সব ধরনের অবৈধ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অবশ্যই তুলে নিতে হবে। পরমাণু চুক্তি পুনরুজ্জীবনের লক্ষ্যে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় ইরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া অন্য পাঁচটি দেশ, যারা এখনো চুক্তি থেকে বেরিয়ে যায়নি। এসব দেশ চেষ্টা করছে ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে চুক্তিটি আবার কার্যকর করতে। তবে এই আলোচনা গত কয়েক সপ্তাহ ধরে স্থগিত হয়ে আছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস সাংবাদিকদের বলেন, আমরা ইরানের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, তারা যেন যত শিগিগরই সম্ভব আলোচনার টেবিলে ফিরে আসে, যাতে করে আমরা আমাদের কাজ শেষ করার জন্য চেষ্টা করতে পারি। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট রাইসিকে আমরা তার পূর্বসূরিদের দেওয়া সেই একই বার্তাই দেব। যুক্তরাষ্ট্র নিজের এবং তার মিত্রদের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থ রক্ষা করবে, এই স্বার্থকেই প্রাধান্য দেবে। আমরা আশা করব, ইরান কূটনৈতিক পথে সমাধান খুঁজে বের করার এই সুযোগ কাজে লাগাবে। তবে তিনি আরো বলেন, এই প্রক্রিয়া অনির্দিষ্টকাল ধরে চলতে পারে না।