যুব সংলাপে বক্তারা

বাসযোগ্য নগরায়ণে যুবকদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ দরকার

একশনএইড বাংলাদেশ ও ধ্রুবতারা ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের আয়োজনে অন্তর্ভুক্তিমূলক আধুনিক শহর বিনির্মাণে তরুণদের অংশগ্রহণ শীর্ষক আলোচনাসভা গতকাল শুক্রবার অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে উঠে আসে যুবকদের সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন কাজে সম্পৃক্ত করার কথা। এতে সুপারিশ করা হয়, সিটি করপোরেশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যুবদের অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং সিটি করপোরেশন বাজেট প্রণয়নে অংশগ্রহণ ও অগ্রাধিকার দেওয়া। ধূমপানের জন্য আলাদা জায়গা নির্ধারণ এবং ধুলোবালি থেকে রক্ষা পেতে সড়কে নিয়মিত পানি ছিটিয়ে পরিচ্ছন্ন রাখা প্রভৃতি। আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম।

আয়োজিত ওয়েবিনারে মেয়র বলেন, আধুনিক ঢাকা বিনির্মাণে যুব সমাজের সঙ্গে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি আরো বলেন, নগর পিতা হিসাবে নয়, নগরসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যেতে চাই। পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে সবার আগে প্রয়োজন মন-মানসিকতার উন্নয়ন। নিয়ম মানতে তরুণদের সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তৃতীয় লিঙ্গ প্রতিনিধিদের কাজের ব্যবস্থা করা হবে। পরিচ্ছন্নকর্মী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে। এসময় তিনি যুবদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। অনুষ্ঠানে সুলতানা কামাল বলেন, যুবদের সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে। যুবদের প্রশিক্ষণ প্রদান করে তাদের বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

একশনএইড বাংলাদেশের যুব কর্মসূচির ম্যানেজার নাজমুল আহসান বলেন, যুবদের অনুপ্রাণিত ও সহযোগিতা করতে তাদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাজে সিটি করপোরেশন পক্ষ থেকে বাজেট বরাদ্দ দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। বস্তিবাসীদের জন্য আলাদা প্রকল্প ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন এবং ডাটা ব্যাংক তৈরি অত্যন্ত আবশ্যিক।

একশনএইড বাংলাদেশের যুব কর্মসূচির ডেপুটি ম্যানেজার কোরবান আলী বলেন, ধূমপানের জন্য আলাদা জায়গা বরাদ্দের প্রয়োজন। তাহলে সামাজিক পরিবেশের উন্নয়ন ঘটবে।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন সহ-সম্পাদক মারুফ হোসেন বলেন, ওয়ার্ডে ওয়ার্ড যুব কমিটি গড়তে হবে। তাদের সরাসরি সিটি করপোরেশনের কাজের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। ধ্রুবতারা ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অমিয় প্রাপন চক্রবর্তী অর্কর সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নিয়ে যুব প্রতিনিধিরা তাদের বিভিন্ন মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।