ইত্তেফাকে সংবাদ প্রকাশের পর হুইল চেয়ার পেলেন মর্জিনা, পাবেন ভাতাও 

ইত্তেফাক অনলাইনে সংবাদ প্রকাশের পর অসহায় বৃদ্ধা আবিয়া বেওয়ার চাওয়া পূরণ করলেন ইউএনও। রবিবার (৮ আগস্ট) বিকালে আবিয়া বেওয়ার বাড়িতে গিয়ে তার পঙ্গু ও অসুস্থ মেয়ে মর্জিনাকে একটি নতুন হুইল চেয়ার দিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমন দাস। নতুন হুইল চেয়ার ও খাদ্য সামগ্রী পেয়ে আবারও আনন্দে কাঁদলেন বৃদ্ধা আবিয়া।

গত ৪ আগষ্ট ‘পঙ্গু মেয়ে ও ৫ নাতি-নাতনি নিয়ে জীবনযুদ্ধে বৃদ্ধা মা’ শিরোনামে ইত্তেফাক অনলাইনে একটি সংবাদ প্রকাশিত হলে ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোছা. আকলিমা বেগমের নজরে আসে।

দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার ফুলবাড়ী উপজেলা সংবাদদাতার সঙ্গে যোগাযোগ করে অসহায় পরিবারটির খোঁজ নেন ইউএনও। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলামকে সঙ্গে করে বৃদ্ধা আবিয়া বেওয়ার বাড়িতে যান। এই রিপোর্টের সত্যতা পেয়ে আবিয়া বেওয়া ও তার পঙ্গু মেয়ে মর্জিনা বেগমসহ তার বাড়িতে থাকা দুই ছেলে ও এক মেয়ের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে।
এ সময় আবিয়া বেওয়া পঙ্গু মেয়ে ও ৫ নাতি-নাতনিকে নিয়ে কষ্টের জীবন-কাহিনী তুলে ধরেন। ইউএনও পরিবারটিকে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন এবং আবিয়া বেওয়ার পঙ্গু মেয়ে মর্জিনা বেগমের জন্য নতুন একটি হুইল চেয়ার ও তার প্রতিবন্ধী ভাতার ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দেন। ঘড় মেরামত করে দেওয়ার বিষয়েও আশ্বস্ত করেন ইউএনও।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমন দাস জানান, প্রতিবন্ধী মর্জিনাকে নতুন একটি হুইল চেয়ার ও খাদ্য সামগ্রী দেওয়া হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে ভাতার ব্যবস্থাও করা হবে। বরাদ্দ আসলে উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে একটি সরকারি পাকা ঘরের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।

ইত্তেফাক/এসজেড