গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা, নোবেলবিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস দৈনিক ইত্তেফাককে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে বলেছেন, নো গোয়িং ব্যাক। আমাদেরকে নতুন দিকে যেতে হবে। নতুন চিন্তা করতে হবে। নতুন পৃথিবী তৈরি করতে হলে নতুন চিন্তা জরুরি। সামগ্রিকভাবে পৃথিবীর একটি লক্ষ্য থাকতে হবে। এখন সেটা নেই। ব্যক্তি মানুষের লক্ষ্য আছে। আর তা হলো সর্বোচ্চ মুনাফা করা। আর ব্যক্তি-মানুষের এ লক্ষ্যকে পৃথিবীর লক্ষ্য বলে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অথচ সেটা হতে পারে না। জিডিপি হতে পারে সম্পদশালীদের লক্ষ্য। এটা গরিব মানুষের লক্ষ্য হওয়ার কোনো কারণ নেই। এর মাধ্যমে পৃথিবীর গরিব মানুষ কিছু পায় না। ভবিষ্যত্ প্রজন্মের জন্য, সন্তানদের জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী রেখে যাওয়াই মানুষের লক্ষ্য হওয়া উচিত। বর্তমানে যা হচ্ছে এটা তার বিপরীত।
তিনি মহামারিতে বিপর্যস্ত এই সময়ে অতীতের নিয়মনীতিতে ফিরে না গিয়ে নতুন চিন্তা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতি একটি নতুন সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে তত্পর হতে হবে। কর্মকৌশল ঠিক করতে হবে। সনাতনী চিন্তাকে বিদায় দিয়ে একটি মঙ্গলময় পৃথিবী গড়ার কাজে আমাদের মনোনিবেশ করতে হবে। সেজন্য সামাজিক ব্যবসাকে ব্যবসার নতুন আঙ্গিক হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। ক্রীড়াঙ্গনের লোকদের যে শক্তি, তাকে কাজে লাগাতে হবে। একই সঙ্গে তিনি তিন ‘শূন্য’র কথা বলেছেন। যার বাস্তবায়নের মাধ্যমেই সেই কাঙ্ক্ষিত বাসযোগ্য পৃথিবী গড়া সম্ভব হবে। (বিস্তারিত পৃষ্ঠা ৮-এ)