গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার আদ্যোপান্ত

জিএম ইমরান, শাবিপ্রবি

গতকালের পর

 

পরীক্ষার্থীরা যেভাবে প্রস্তুতি নেবেন।

 

অনেকেরই প্রশ্ন থাকতে পারে দৈনিক কতক্ষণ পড়লে চান্স পাবো? তাদের উদ্দেশ্যে বলবো, পড়াশোনা ধরাবাঁধা ঘন্টায় সীমাবদ্ধ না রেখে কতটুকু পড়লে মনে রাখা যায় সেটুকু সময় অবশ্যই দিতে হবে। তবে ভর্তি পরীক্ষায় সফল হতে অবশ্যই একজন শিক্ষার্থীকে কৌশলী হতে হবে। এজন্য অন্যদের থেকে নিজের প্রস্তুতি অনেকটা আলাদা হবে।

 

মানবণ্টন কেমন হবে? বিশেষ করে ইংরেজির ক্ষেত্রে?

 

গুচ্ছ পদ্ধতিতে তিন বিভাগকে তিনটি আলাদা ইউনিটে বিভক্ত করা হয়েছে। সার্কুলার অনুযায়ী ইংরেজিতে

ইউনিট-এ অর্থাত্

বিজ্ঞান বিভাগে ১০ নম্বর,

ইউনিট-বি

অর্থাত্

মানবিক বিভাগে ৩৫ নম্বর

এবং ইউনিট-সি

অর্থাত্ বাণিজ্য বিভাগে ১২ নম্বর।

বিজ্ঞান বিভাগের তুলনায় মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগে চান্স পেতে হলে ইংরেজিকে ভালোভাবে আয়ত্তে আনতে হবে।

বিজ্ঞান বিভাগে যে ইংরেজি না পড়লেই চলবে বিষয়টা তেমন না, পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পেতে হলে এই ১০ নম্বরকেও প্রাধান্য দিতে হবে।

 

ইংরেজির প্রস্তুতিটা কোন গ্রুপ থেকে কীভাবে নিতে হবে?

 

এ বিষয়ে, তাহমিদ হাসান জানান, গুচ্ছ পদ্ধতির প্রশ্ন কোন কোন কনসেপ্ট থেকে করা হবে তার সম্পর্কে কারোরই জানা নাই কারণ এই পদ্ধতিটা একদম নতুন। তবুও বিভাগত্রয় যদি বেসিক কিছু টপিকের উপর ভালো মানের ধারণা থাকে তাহলে অবশ্যই তারা ইংরেজিতে ভালো নম্বর অর্জন করতে সক্ষম হবে। সেগুলো হলো-

ইউনিট-এ

বিজ্ঞান বিভাগকে পদার্থ, রসায়ন এবং গণিত, জীববিজ্ঞানসহ অন্যান্য বিষয়গুলোর পাশাপাশি ইংরেজিতেও দক্ষ হতে হবে। যেহেতু ১০ নম্বর তাই বলবো কমপক্ষে একবার হলেও টেক্সট বইটা ভালোভাবে শেষ করতে হবে 

                পরের অংশ শনিবার