দাবানল নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা, ক্ষমা প্রার্থনা গ্রিসের প্রধানমন্ত্রীর

গ্রিসের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ এভিয়ায় এখনো দাবানল জ্বলছে দাউদাউ করে। নেভানো সম্ভব হচ্ছে না। অ্যাথেন্সের শহরতলিতে এসে গিয়েছিল দাবানলের আগুন। তবে তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। এভিয়া থেকে প্রচুর মানুষ সমুদ্রপথে নিরাপদ জায়গায় চলে গেছেন। দাবানলের তাণ্ডবের পর ক্ষমা চেয়েছেন গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসুতাকিস। দাবানল থামাতে সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে প্রবল সমালোচনা শুরু হওয়ার পর তিনি বলেছেন, সবাই ক্ষতিপূরণ পাবেন। খবর ডয়চেভেলের

গ্রিসে এখন প্রবল তাপপ্রবাহ চলছে। বাতাসে আর্দ্র্রতার পরিমাণ কম। সেই সঙ্গে রয়েছে ঝোড়ো হাওয়া। ফলে দাবানল নেভাতে বিপদে পড়েছে সরকার। একের পর এক জায়গায় দাবানল লাগছে। ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে পাইনবন। মানুষ পালাচ্ছেন। সম্পত্তির প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘এভিয়া ও অন্যান্য জায়গায় দাবানল আমাদের প্রত্যেককে বিষণ্ন করেছে। সব ক্ষতিগ্রস্তকে সরকার সাহায্য করবে। এ জন্য অতিরিক্ত ৫০ কোটি ইউরো খরচ করা হবে। আবার গাছ লাগানো হবে।’

প্রধানমন্ত্রী ক্ষমা চেয়ে নিয়ে বলেছেন, যারা বাড়িঘর, বিষয়-সম্পত্তি হারিয়েছেন, তাদের ব্যথা আমি বুঝি। তাই বলছি, দোষীদের খুঁজে বের করে শাস্তি দেব। বেশ কয়েকটি শহরের মেয়র অভিযোগ করেছেন, আকাশপথে দাবানল মোকাবিলার জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করা হয়নি। তাই তাদের পক্ষে দাবানল নেভানো সম্ভব হয়নি; কিন্তু প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমরা সব ধরনের চেষ্টা করেছি; কিন্তু এটা ভয়ংকর প্রাকৃতিক বিপর্যয়। ফলে তা সামলানো সহজ ছিল না। গ্রিসে অন্ততপক্ষে ৫৬ হাজার হেক্টরের বনভূমি ও গ্রাম পুড়ে গেছে। এভিয়াতে গত ৩ আগস্ট থেকে দাবানল জ্বললেও নেভানো সম্ভব হয়নি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন গ্রিসের আগুন নেভাতে ২১টি বিমান পাঠিয়েছে। এক হাজার ২০০টি দমকলও পাঠানো হয়েছে। তাছাড়া তারা ২৫০টি গাড়িও দিয়েছে।