লতিফ সিদ্দিকীসহ ২ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট অনুমোদন

সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীসহ দুইজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
রাজধানীর সেগুন বাগিচা কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বৃহস্পতিবার এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
দুদক সূত্র জানায়, তাদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই সংশ্লিষ্ট আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে।

অভিযোগে জানা যায়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকাকালে আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যক্তি স্বার্থে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশ জুট কর্পোরেশনের (বিজেসি) আওতাধীন সরকারি সম্পত্তি বিক্রয়ের নীতিমালা ভঙ্গ করেন। তিনি উন্মুক্ত দরপত্র বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই একক সিদ্ধান্তে কম মূল্যে বিজেসি’র ২ দশমিক ৩৮ একর সরকারি সম্পত্তি ২০১০ হতে ২০১২ সালের মধ্যে বেগম জাহানারা রশিদের নিকট বিক্রি করে।

চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়, আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী এবং ক্রেতা বেগম জাহানারা রশিদ পারস্পারিক যোগসাজশে দরপত্র বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই বেআইনিভাবে বাংলাদেশ জুট কর্পোরেশনের জমি বিক্রয় করে সরকারের ৪০ লাখ ৬৯ হাজার ২১ টাকা ক্ষতি সাধনের অপরাধে দুর্নীতি দমন কমিশন তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দেয়।

আরো পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় শিশুসহ ৮ জনকে ভারতের পুশব্যাক

বেগম জাহানারা রশিদ বাংলাদেশ জুট কর্পোরেশনের সুরুজমল আগরওয়ালা (রানী নগর ক্রয় কেন্দ্র) নামের ২ দশমিক ৩৮ একর সরকারি সম্পত্তি স্থায়ীভাবে বরাদ্দের জন্য ২০১০ সালের ১১ মে তার পূর্ব পরিচিত মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় বরাবরে আবেদন করেন। তার আবেদনের প্রেক্ষিতে বিজেসি’র আওতাধীন সরকারি সম্পত্তি বিক্রয়ের নীতিমালা ভঙ্গ করে উন্মুক্ত দরপত্র বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই মন্ত্রীর একক সিদ্ধান্তে ৬৪ লাখ ৬৩ হাজার ৭৯৫ টাকা মূল্যের সরকারি সম্পত্তি আসামি বেগম জাহানারা রশিদের নিকট বেআইনিভাবে ২৩ লাখ ৯৪ হাজার ৭৭৪ টাকায় বিক্রয় করে।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম ২০১৭ সালের ১৭ অক্টোবর বগুড়া জেলার আদমদীঘি থানায় মাদলটি দায়ের করেন।

ইত্তেফাক/অনি