বঙ্গমাতার জীবনাদর্শচর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে ------মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী

মহিলা ও শিশু বিষয়ক  প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী জাতীয়ভাবে উদ্যাপনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম বঙ্গমাতার সংগ্রামী জীবন, আত্মত্যাগ, সাহসিকতা, দেশপ্রেম, মহান মুক্তিযুদ্ধে তার অপরিসীম অবদান এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের অজানা তথ্য জানতে পারবে। বঙ্গমাতার জীবনাদর্শচর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম  আরো বেশি দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে সোমবার শহিদ ডা. মিল্টন হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি  এসব কথা বলেন।

সভাপতির বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর জীবনে বঙ্গমাতা অবিচ্ছেদ্য অংশ। নারী জাগরণসহ নারীর ক্ষমতায়নের নেপথ্যের ভূমিকায় বঙ্গমাতার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অতীত ইতিহাসেও বঙ্গমাতার অনন্য সাধারণ অবদান রয়েছে। 

আলোচনাসভার প্রধান বক্তা ও বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন তার বক্তব্যে বঙ্গমাতার বর্ণাঢ্য ও গৌরবময় কর্মজীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ হোসেন, উপউপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. এ কে এম মোশাররফ হোসেন, উপউপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. ছয়েফ উদ্দিন আহমদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, সাবেক উপউপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল্লাহ সিকদার, সাবেক উপউপাচার্য অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলমসহ  বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিত্সক, কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।