পাহাড়ে আবারো গুলি, নিহত ১

খাগড়াছড়ির পানছড়িতে জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা) গ্রুপের যুব সমিতির এক সদস্যকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে পানছড়ি বাজারের শুকতারা হোটেলে এই ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তি পানছড়ির উল্টাছড়ি ইউনিয়নের মরাটিলা এলাকার বাসিন্দা রনি ত্রিপুরা (৩০)। তিনি নলিন্দ্র ত্রিপুরার ছেলে। এ ঘটনায় ইউপিডিএফকে দায়ী করেছে জেএসএস (এমএন লারমা)। তবে ইউপিডিএফ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।  

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একজন অস্ত্রধারী হোটেলে ঢুকে খুব কাছে থেকে রনি ত্রিপুরাকে গুলি চালায়। গুলিতে ঘটনাস্থলে নিহত হয় রনি। পরে অস্ত্রধারী গুলি চালিয়ে মাছ বাজারের দিকে দ্রুত পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পুলিশ ও স্থানীয়া তাকে উদ্ধার করে পানছড়ি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পানছড়ি থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ দুলাল হোসেন বলেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে ইউপিডিএফ এই হত্যা ঘটিয়ে থাকতে পারে। লাশ শুক্রবার সকালে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। এ ব্যাপারে এখনো কেউ মামলা করে নাই। 

আরো পড়ুন: ভালোবাসা দিবসে জীবন খাঁনের সুরে কাজী শুভ ও মোহনার ‌‘নেশা’

জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সুদর্শন চাকমা  বলেন, রনি ত্রিপুরা দলের যুব সমিতির সদস্য । প্রসিত খীসাপন্থী ইউপিডিএফের সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যা করেছে।

ইউপিডিএফ এর জেলা সংগঠক মাইকেল চাকমা সাংবাদিকদের বলেন, এমন অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। এটি ইউপিডিএফের নামে অপপ্রচার। এই ঘটনা জেএসএস (এমএনলারমা) দলীয় কোন্দলে হতে পারে। 

ইত্তেফাক/অনি