সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের পরও মূলধারার উন্নয়ন থেকে সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবনমান এখনো পিছিয়ে। তাদের বেশির ভাগ মানুষই দিনমজুরি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। বিকল্প আয়ের দক্ষতা না থাকায় তারা মূলধারার অর্থনৈতিক কার্যক্রম থেকে পিছিয়ে। ফলে আর্থিক প্রণোদনার অভাবে শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা থেকেও বঞ্চিত।
গতকাল বুধবার রাজধানীতে একটি অনলাইন মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সমন্বিত প্রয়াস’ শীর্ষক এই সভার আয়োজন করে ব্র্যাকের সমন্বিত উন্নয়ন কর্মসূচি (আইডিপি)। বক্তারা এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে প্রয়োজন সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের জন্য পৃথক কমিশন গঠন, মূলধারায় সম্পৃক্তকরণের পাশাপাশি স্থায়িত্বশীল জীবনজীবিকা নিশ্চিতকরণে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের সঙ্গে সমমনা উন্নয়ন সংস্থার যৌথভাবে কার্যক্রম পরিচালনা এবং অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম গ্রহণ এখন সময়ের দাবি বলে জানান।
ব্র্যাকের ফেসবুক পেজে সম্প্রচারিত এই ভার্চুয়াল সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজির অন্যতম অঙ্গীকার হচ্ছে ‘কাউকে পশ্চাতে রেখে নয়’ অর্থাত্ উন্নয়নের কার্যক্রমে সমাজের কোনো অংশই বাদ পড়বে না। সেজন্য সব সরকারি-বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠনসমূহকে একসঙ্গে কাজ করা অত্যন্ত জরুরি।
ভার্চুয়াল সভায় প্রকল্পের শিখনসমূহ কিনোট আকারে উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃতত্ত্ববিভাগের অধ্যাপক মাহমুদুলএইচ সুমন এবং সঞ্জীব দ্রং।