সুপার কাপ চেলসির

ম্যাচ টাইব্রেকারে গড়ানোর পথে। চলছে শেষ সময়ের খেলা। এমন সময় খুব কম কোচই গোলকিপার বদল করতে চাইবেন। কিন্তু নাম তার টমাস টুখেল। কঠিন সময়ে সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়ার খ্যাতি আছে যার। এবারও নিলেন এবং সেই সিদ্ধান্তই চেলসিকে এনে দিল উয়েফা সুপার কাপের শিরোপা। গোলকিপার কেপা আরিসাবালাগার দৃঢ়তায় টাইব্রেকারে ভিয়ারিয়ালকে ৬-৫ ব্যবধানে হারিয়ে মৌসুম শুরু করল ব্লুজরা।

ঠিক আড়াই বছর আগে একই রকম দৃশ্য দেখা গিয়েছিল লিগ কাপের ফাইনালে। ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ের শেষ মিনিটে কেপাকে বদলি করতে চেয়েছিলেন  তত্কালীন চেলসি কোচ মরিসিও সারি। তবে কোচের সিদ্ধান্তের বিপরীতে গিয়ে মাঠে থেকে যান কেপা। একটি সেভ করলেও সেদিন ম্যাচ জেতাতে ব্যর্থ হওয়ায় খলনায়ক হয়েছিলেন এই গোলকিপার। কিন্তু এবার দুটি শট ঠেকিয়ে আস্থার প্রতিদান দিলেন কোচের।

নর্থ আয়ারল্যান্ডের উইন্ডসর পার্কে খেলার ১১৯ মিনিটে মূল গোলকিপার এদুয়ার্দ মেন্দিকে উঠিয়ে কেপাকে নামান টুখেল। নিজের সিদ্ধান্তের কথা আগেই জানিয়ে রেখেছিলেন দলকে। তাই অফফর্মে থাকা কেপাকে মাঠে দেখে অবাক হননি কেউই। ম্যাচ শেষে টুখেল বলেন, ‘সিদ্ধান্তটি সহজ ছিল না। আমাদের কিছু পরিসংখ্যান ছিল, আমরা ভালোভাবেই প্রস্তুত ছিলাম। পেনাল্টি সেভের ক্ষেত্রে কেপাই সেরা। বিশ্লেষকরা ও গোলকিপার কোচ আমাকে ডাটা দেখানোর পর খেলোয়াড়দের বলেছিলাম, এমনটা হতে পারে।

টাইব্রেকারের আগে ১-১ গোলে ড্র ছিল নির্ধারিত সময়ের খেলা। ২৬ মিনিটে কাই হাভার্টজের ক্রস থেকে চেলসিকে এগিয়ে দেন হাকিম জিয়েস। লিড নিয়ে যেন অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসে ভুগছিল চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ীরা। ৭৫ মিনিটে জেরার্দো মরেনোর গোলে সমতায় ফেরে ভিয়ারিয়াল। টাইব্রেকারে দুই দলই মিস করে তাদের প্রথম শট। এরপর টানা পাঁচ শটেই জাল খুঁজে নেয় তারা। কিন্তু সপ্তম শটে মিস করে ভিয়ারিয়ালকে হতাশায় ডুবান রাউল আলবিওল। আর নায়ক বনে যান কেপা।