মুজিববর্ষে ঘরবাড়ি পেয়েছে দাউদকান্দির ৯২ অসহায় নিঃস্ব পরিবার

মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে দাউদকান্দি উপজেলার ৯২টি অসহায় নিঃস্ব পরিবার ২ শতাংশ জায়গাসহ পাকা ঘর পাওয়ায় তাদের চোখেমুখে আনন্দের বন্যা বইছে।

দাউদকান্দি উপজেলার গোলাপের চর গ্রামে ৫২টি, আমিরাবাদ গ্রামে ২২টি, ভিকতলা গ্রামে ৯টি, লক্ষ্মীপুর গ্রামে পাঁচটি, কলাকোপা গ্রামে দুইটি ও মোহাম্মদপুর নতুন বাজারে দুইটি পরিবারকে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে সরকারি ব্যয়ে পাকা ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি পরিবারের জন্য করা হয়েছে বিদ্যুত্ এবং পানীয় জলের সুব্যবস্থা।

কোনো কোনো ঘরের নির্মাণ ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা করে আবার কোনটির হয়েছে ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা করে। যোগাযোগ ব্যবস্থার দিক থেকে সুবিধাজনক অবস্থানে ঘরগুলো নির্মাণ করায় চিরবঞ্চনার শিকার এই অসহায় মানুষগুলোর দারুণ সুবিধা হয়েছে।

শ্রাবণের প্রবল বর্ষণমুখর দিনে আমিরাবাদ গ্রামে পাকা ঘর পাওয়া লালমতি বেগম বলেন, সারাজনম বৃষ্টিবাদলের পানিতে ভিজে জীবন কাটালেও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বদৌলতে জীবনের সায়াহ্ন বেলাটা অন্তত পাকা ঘরে কাটিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেলাম। একই ধরনের মন্তব্য করেন লাইলি বেগম, আশানুর আক্তার, আব্দুল বারেক ও মোর্শেদ মিয়া।

এদিকে গোলাপের চর গ্রামের কাছাকাছি কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকায় এই ৫২টি পরিবারসহ গ্রামের শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে আধাপাকা ঘর নির্মাণ করে এখনি এখানে স্থানীয় উদ্যোগে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হবে এবং চিকিত্সার সুবিধার্থে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল হাসান খান।

ইতিমধ্যে খাদ্যসচিব নাজমুন আরা খানম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মহাপরিচালক (প্রশাসন) মো. খলিলুর রহমান, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ কামরুল হাসান, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) খন্দকার জহিরুল ইসলাম, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ দাউদকান্দির এই আশ্রয়ণ প্রকল্পগুলো পরিদর্শন করেন।