শাল্লা থানার বিতর্কিত ওসি মো. নূর আলমকে ক্লোজড করা হয়েছে। সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহমেদ পিপিএম স্বাক্ষরিত তার কার্যালয়ের ১২ আগস্ট তারিখের ৩৮৭/২০২১ নম্বর আদেশে ওসি মো. নুর আলমকে ক্লোজড করে একই রেঞ্জের ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বিপিএম স্বাক্ষরিত ৯৪৫/সি নম্বর স্মারকে একই তারিখে ঐ ওসিকে রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয় সিলেটে যোগদানের জন্য শাল্লা থানার সিনিয়র এসআই (নিরস্ত্র)-এর কাছে দায়িত্বভার বুঝিয়ে দিয়ে ছাড়পত্র গ্রহণের জন্য আদেশ দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সহকর্মী এসআইকে একটি বাহিনী দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা, নারী কনস্টেবলকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার পাশাপাশি মাদক ও জুয়ার আসর থেকে মাসোহারা আদায়, গ্রেফতার বাণিজ্যসহ নানা অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে নূর আলমের বিরুদ্ধে। জানা গেছে, এসব ঘটনায় সিলেটের অতিরিক্ত ডিআইজি (ক্রাইম) বিপ্লব বিজয় তালুকদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা ও সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) হায়াতুন নবী। এর আগে সুনামগঞ্জের শাল্লায় সন্ত্রাসী হামলায় পুলিশের এসআই শাহ আলীকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় স্থানীয় ওসি নুর আলম ও হামলার হোতা যুবলীগ নেতা অরিন্দম চৌধুরী অপুর ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হয়। বিষয়টি তদন্তে সিলেটের ডিআইজি অফিসের পুলিশ সুপার জেদান আল মুসার নেতৃত্বে দুই সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠনের পর গত বুধবার শাল্লা সদরে সরজমিন তদন্তকাজ সম্পন্ন করে কমিটি।