আবার ফিরে এলো ভয়াল আগস্ট মাস। আগস্ট এলেই বারবার মনে পড়ে ১৯৭৫ সালের অশ্রুভেজা ভয়াল ১৫ আগস্টের কথা। আজ থেকে ৫০ বছর আগে ১৯৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশকে পাকিস্তাানের এজেন্ট হিসেবে যারা মেনে নিতে পারেনি, সেই নর ঘাতকেরা ৪৬ বছর আগে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে যখন মসজিদে মসজিদে আজানের ধ্বনি শোনা যাচ্ছিল, সেই সময় সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে নৃশংসভাবে হত্যা করে। হত্যা করে তার স্ত্রী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব, তার তিন পুত্র—শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশুপুত্র শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও পারভিন জামাল রোজী, ছোট ভাই শেখ আবু নাসের, মোহাম্মদপুরের বাসভবনে ভগ্নিপতি ও মন্ত্রী আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ও তার পরিবারের সদস্যবৃন্দ, আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজজুল হক মণি এবং রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব ব্রিগেডিয়ার জামিল উদ্দিন আহমেদসহ মোট ১৮ জনকে। আজ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি ১৫ আগস্ট শাহাদত বরণকারী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ নিহত সব শহিদকে এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
সেই দিন শোকাচ্ছন্ন নীরবতায় থমকে গিয়েছিল গোটা জাতি। ঘাতকেরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শকেই হত্যা করতে চেয়েছিল। ঘাতকদের সাধ্য ছিল না ইতিহাসের সেই মহানায়কের অস্তিত্বকে বিনাশ করার; মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মুছে ফেলার! ১৯৭৫-পরবর্তী অগণতান্ত্রিক সরকার, আওয়ামী লীগকে চিরতরে শেষ করে দেওয়ার জন্য হত্যা করে হাজার হাজার নেতা কর্মীকে, বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে দেশকে নেতৃত্ব শূন্য করতে ৩রা নভেম্বর ১৯৭৫ সালে জেলের অভ্যন্তরে হত্যা করে জাতীয় চার নেতা—সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমেদ, এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে। হত্যা করে সেনাবাহিনীতে কর্মরত মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দীর্ঘ নয় মাস নজির বিহীন রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ৩০ লাখ শহিদ ও দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে পশ্চিমাদের দীর্ঘ ২৩ বছরের শোষণ-বঞ্চনার হাত থেকে পরিত্রাণের লক্ষ্যে অর্জিত হয়েছিল বহুদিনের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সেই শহিদদেরও।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেই শিশুকাল থেকে ছিলেন মানব দরদি, অসহায় দরিদ্র মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনায় সহযোগিতার জন্য মুসলিম সেবা সমিতি গঠন করে তার মাধ্যমে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করতেন তাদের। তিনি প্রকৃতি, নদী-নালা, খাল-বিল পছন্দ করতেন। ভালোবাসতেন পশুপাখি। খেলাধুলা পছন্দ করতেন, নিজেও খেলাধুলা করতেন। বঙ্গবন্ধুর মন ছিল উদার। কোনো প্রকার সংকীর্ণতা, গোঁড়ামি এবং সাম্প্রদায়িকতার কোনো স্থান তার মধ্যে ছিল না। তাই শৈশব থেকে হিন্দু মুসলিম সবার সঙ্গে ছিল তার হূদ্যতাপূর্ণ বন্ধুত্ব। ‘সবার উপর মানুষ সত্য’ এই দর্শন হূদয়ে নির্মোহভাবে প্রোথিত ছিল বঙ্গবন্ধুর। বাঙালিত্ব ছিল তার অহংকার। জীবনের শুরু থেকেই তিনি বাঙালির মুক্তির জয়গান গেয়েছেন। তিনি ভালোবাসতেন বাংলার মাটি ও মানুষকে। আকণ্ঠ ধারণ করেছিলেন বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্য, কৃষ্টি-সংস্কৃতি । বাঙালির হাজার বছরের সমৃদ্ধ ইতিহাসের ধারায় তাই তিনি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কলকাতায় ইসলামিয়া কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে পুরোপুরি যুক্ত হন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন, ১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলন, ১৯৬৮ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ১৯৬৯ সালে গণ-আন্দোলন, ১৯৭০ সালের নির্বাচন, ১৯৭১ সালে ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ও ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার সংগ্রামে জাতির পিতা স্বক্রিয়ভাবে নেতৃত্ব দেন। এতে ৫৫ বছরের জীবদ্দশায় ১৪টি বছর পাকিস্তানের বিভিন্ন কারাগারে কাটিয়ে দেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নরপিশাচ ইয়াহিয়ার সাজানো প্রহসনের বিচারে ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়েও গেয়েছেন বাঙালি জাতির মুক্তির জয়গান। দেশের জন্য বঙ্গবন্ধুর হূদয়ে অকৃত্রিম দরদ ও ভালোবাসা ছিল সর্বদা অপরিমেয়। বঙ্গবন্ধুর ভাষায় ‘আমার সবচেয়ে বড় শক্তি, আমি আমার দেশের মানুষকে ভালোবাসি। সবচেয়ে বড় দুর্বলতা আমি তাদেরকে খুব বেশি ভালোবাসি।’ তিনি আরো বলেছিলেন, ‘৭ কোটি বাঙালির ভালোবাসার কাঙাল আমি। আমি সব হারাতে পারি কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা হারাতে পারবো না।’
১৯৭১ সালে দীর্ঘ নয় মাসের নজিরবিহীন রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রে ছিল না কোনো অবকাঠামো, ছিল না কোনো সম্পদ। চারদিকে শুধু ধ্বংসস্তূপ আর স্বজন হারানো মানুষের নিদারুণ হাহাকার। বাংলাদেশ ছিল দক্ষিণ এশিয়ার দরিদ্রতম দেশ, শুধু দক্ষিণ এশিয়ার নয়, বিশ্বের দরিদ্রতম ১০টি দেশের একটি। বাংলাদেশের ৮৮ শতাংশ মানুষ ছিল দরিদ্র। সাক্ষরতার হার ছিল ৩০ শতাংশের নিচে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে দেশে প্রত্যাবর্তন করে শূন্য থেকে শুরু করেন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠনসহ জাতির অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য কাজ। বঙ্গবন্ধু বলেন, স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখেছিলাম আজ স্বাধীনতা পেয়েছি। সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছি সোনার বাংলা দেখে আমি মরতে চাই।
স্বাধীনতার পরপর এ দেশের ভবিষ্যত্ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন অনেকে। প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ অস্টিন রবিনসন ‘ইকোনোমিক প্রসপেক্টাজ অব বাংলাদেশ’ গ্রন্থে বাংলাদেশের টিকে থাকা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন। তত্কালীন মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ির সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। কিন্তু প্রবল আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান বঙ্গবন্ধু সেই সময় দৃঢ়তার সঙ্গে বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশ আছে, বাংলাদেশ থাকবে।’ জাতির পিতা বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার মধ্যে অর্থনৈতিক কার্যক্রমের গুরুত্ব বিবেচনা করে ‘প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা’ (১৯৭৩-১৯৭৮) প্রণয়ন করেন। এতে তিনি দারিদ্র্য হ্রাস, পুনর্গঠন, উত্পাদন বৃদ্ধি ইত্যাদিতে অগ্রাধিকার প্রদান করেন। পরিকল্পনা মোতাবেক দেশ এগিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের—যে নেতাকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কেরা হিমালয়ের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন, যে নেতা এ দেশের শোষিত-বঞ্চিত মানুষের অধিকারের কথা বলতে গিয়ে জীবনের বেশির ভাগ সময় নিঃসঙ্গ কারাজীবন কাটিয়েছেন, ফাঁসির দড়িকেও ভয় করেন নাই, বাংলার জনগণই ছিল তার অন্তঃপ্রাণ, সেই নেতা পাকিস্তানের প্রেতাত্মাদের দোসর, বিপথগামী ও স্বাধীনতার চেতনাবিরোধী ঘাতকদের বুলেটের আঘাতে শাহাদত বরণ করেন।
বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড নিছক হত্যাকাণ্ড ছিল না। এটা ছিল সাম্রাজ্যবাদী নীল নকশা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সু-পরিকল্পিত ও ইতিহাসের জঘন্যতম রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড! বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ক্ষমতায় বসা সাম্রাজ্যবাদের ক্রীড়নক তত্কালীন পাকিস্তানপন্থি সরকার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে হত্যাকারীদের বিচার কাজ বন্ধ রাখেন। কোনো সভ্য সমাজে নির্বিচারে নারী, শিশু, গর্ভবতী মহিলা ও দেশের রাষ্ট্রনায়কসহ ১৮ জন মানুষ হত্যার এমন দৃষ্টান্ত ইতিহাসে বিরল। এই খুনিরা সপরিবারে শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে নাই, তারা হত্যা করেছে স্বাধীনতার মূল্যবোধকে, তারা পেছনে ঠেলে দিয়েছিল বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নকে। ১৯৭৫-পরর্বতী দীর্ঘ ২১ বছর দেশ শাসন করেছে কখনো অনির্বাচিত সামরিক সরকার, কখনো মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান, কখনো জেনারেল এরশাদ ও বেগম খালেদা জিয়ার বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার। দেশ শাসনের নামে তারা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেন, ভারী শিল্প কারখানা পানির দরে বিক্রি করে দেন, পবিত্র সংবিধানকে ইচ্ছেমতো বারবার ক্ষতবিক্ষত করেন, অর্থনৈতিকভাবে জাতিকে পঙ্গু বানিয়ে দেশটাকে সীমাহীনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রক্তের উত্তরাধিকার বর্তমান প্রজন্মের কিংবদন্তি ও ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর থেকে দীর্ঘ ছয় বছর বিদেশের মাটিতে নির্বাসন শেষে ১৯৮১ সালের ১৭ মে সকল বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে মৃত্যুঝুঁকি মাথায় নিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের দৃঢ়প্রত্যয়ে দেশে ফিরেন জাতির পিতার সুযোগ্যকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। দীর্ঘ ১৫ বছর জনগণের ভোট ও ভাতের দাবিতে আন্দোলন-সংগ্রামে জেল-জুলুম-নির্যাতন সহ্য করার পর ১৯৯৬ সালে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সরকার গঠন করে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজে মনোনিবেশ করেন তিনি।
জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সাল, পরবর্তীকালে ২০০৯, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালে ৪র্থ বারের মতো জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করে আধুনিক উন্নয়নশীল সম্ভাবনাময় নতুন এক বাংলাদেশকে উন্নত বিশ্বের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা জনগণের ভোটে ক্ষমতায় এসেই সর্বপ্রথম জাতির কপালে আঁকা কলঙ্ক তিলক স্বরূপ কুখ্যাত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি সম্পাদন, সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে ছিটমহল সমস্যার সমাধান, খাদ্য উত্পাদনে দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে কৃষি বিপ্লব, অর্পিত সম্পত্তি আইন বাতিল, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি ও পার্বত্য শান্তিচুক্তির দ্বারা পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা তার শ্রেষ্ঠ অর্জন। এই করোনা মহামারির মধ্যেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুদৃঢ় ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে জীবন ও জীবিকাকে প্রাধান্য দিয়ে দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এগিয়ে যাচ্ছে ।
একসময়ে বিশ্বের দরিদ্রতম ১০টি দেশের মধ্যে একটি ছিল বাংলাদেশ। তখন লোকসংখ্যা ছিল সাড়ে ৭ কোটি, বর্তমান জনসংখ্যা ১৬ কোটির ওপর। তার পরও বর্তমানে বিশ্বের ৪১তম অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ। বাংলাদেশের উন্নয়নের অপ্রতিরোধ্য গতি দেখে আজ বিশ্ববাসীও বিস্মিত। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। জননেত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশ এখন ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত হতে চলেছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, এ দেশকে নিয়ে, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের যে স্বপ্ন দেখতেন তারই সুযোগ্য উত্তরসূরি আমাদের প্রধানমন্ত্রী তার পিতা বঙ্গবন্ধুর ন্যায় পদে পদে মৃত্যুঝুঁকি মাথায় নিয়ে জীবনের সুখ-শান্তি, আরাম-আয়েশ ভুলে এ দেশের সাধারণ গরিব মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে অবিরাম নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।
বঙ্গবন্ধুর ৪৬তম শাহাদতবার্ষিকীতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রতিটি মানুষকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের পথ ধরে জননেত্রী শেখ হাসিনার চলার পথ অনুসরণ করে তার পাশে থেকে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে জনগণের সেবা করলেই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নিহত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ নিহত সব শহিদের আত্মা শান্তি পাবে। আর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার কর্মের জন্যই এ দেশের মানুষের হূদয়ে বেঁচে থাকবেন আজীবন। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
লেখক : সদস্য, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
কার্যকরী সভাপতি, মহিলা শ্রমিক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি।
তথ্যসূত্র :বাজেট বক্তৃতা ২০২১-২০২২-এর পৃষ্ঠা- ৪, ৫, ৬, ৭, ৯। বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, পৃষ্ঠা- ৯। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপত্র উত্তরণ, সেপ্টেম্বর ২০১৮