বাউফলে চুরির অপবাদে রিফাদ হাওলাদার (১৫) নামে এক স্কুলছাত্রকে আট ঘণ্টা আটকে রেখে দফায় দফায় নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার ঐ স্কুলছাত্রকে উদ্ধার করে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। রিফাদ আয়লা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র ও কাছিপাড়া ইউপির সুরদি গ্রামের কবির হোসেনের ছেলে।
রিফাদের মা সাজেদা বেগম অভিযোগ করেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় রিফাদ তার খালাতো ভাই কাওসারকে বগা লঞ্চঘাট পৌঁছে দিয়ে বাড়ি যাওয়ার পথে দরিয়াবাদ ডানিডা সড়কের মোড় থেকে সোহাগ মৃধা, মোজাম্মেল হক ও রাজিব রুমির নেতৃত্বে সাত-আট জন যুবক রিফাদকে জোরপূর্বক কনকদিয়া ইউপির বীরপাশা বাজারে সোবান হাওলাদারের চায়ের দোকানে নিয়ে আটকে রাখে। খবর পেয়ে রিফাদের বাবাসহ তিনি ঐ চায়ের দোকানে পৌঁছালে তাদেরও আটকে রাখা হয়। এরপর তাদের সামনে কয়েক দফা রিফাদকে পিটানো হয়। তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেও রিফাদকে কয়েক দফা শারীরিক নির্যাতন করা হয়। এরপর রিফাদের কাছ থেকে একটি মোবাইল চুরির স্বীকারোক্তি ভিডিও করে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
রিফাদের বাবা কবির হোসেন হাওলাদার বলেন, ‘আমার ছেলে মোবাইল চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে ধরে নিয়ে দফায় দফায় শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। আমি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
অভিযুক্ত সোহাগ মৃধার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমার হাতে কাজ আছে। পরে কথা বলব।’ এর পর কলটি কেটে দেন। বাউফল থানার ওসি আল মামুন বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’