আজ দেশের অন্যতম উইমেন অনলাইন ক্লথিং শপ 'আরময়ের'। চলমান রীতিকে চ্যালেঞ্জ জানানো এবং উদ্ভাবন—তাদের এই অবস্থানে আসার পেছনে এ দুটিই প্রধান কারণ।
২০১৭ সালে নাজিয়া হাসান এই অনলাইন ব্রান্ডটি প্রতিষ্ঠা করেন। একটি ছোট ফেসবুক ভিত্তিক অনলাইন স্টোর হিসাবে তাদের যাত্রা শুরু করেছিলো। 'আরময়ের' মহিলাদের শাড়ি, সালোয়ার কামিজ, কুর্তি , শাড়ি ও বাচ্চাদের ড্রেস নিয়ে কাজ শুরু করে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তারা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান।
পরর্বতীতে তাদের গ্রাহকদের চাহিদার প্রেক্ষিতে ব্যাবসার পরিধি বৃদ্ধি করে প্রথম বনানীতে ২০১৮ সালে প্রথম শোরুম নেন। বর্তমানে পিংক সিটি শপিং মল ও উত্তরা জমজম টাওয়ারে তাদের দুটি শোরুম আছে। ২০২০ সালে নিজেদেরকে একটি লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। বর্তমানে আরময়ের এ মহিলাদের সুজ, জুয়েলারি ও পোশাকের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সকল জিনিস পাওয়া যায়।
'আরময়ের'এর প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারম্যান নাজিয়া হাসান এবং ব্যবস্থপনা পরিচালক সায়মা হারার লক্ষ্য ছিলো, মার্জিত, রুচিশীল ও ট্রেন্ডি পোশাককে এমন ভাবে মানুষের দোরগোড়ায় কাছে পৌঁছে দেওয়া যেন ঘরে বসে স্বল্প মূল্যে নিত্য নতুন ও ফ্যাশনেবল কাপড় সাচ্ছন্দের সাথে পরতে পারে। যেটি তারা আজ পেরেছেন,'আরময়ের'এর মাধ্যমে।
'আরময়ের'এর বিশেষ দিক হলো, দেশি ও বিদেশি সব ধরনের কাপড়ই আরময়ের এ সহজলভ্য। দেশের বিভিন্ন শপে যেখানে একটি নির্দিষ্ট ধাঁচেই প্রোডাক্ট বিক্রি করে সেখানে 'আরময়ের' ব্যাতিক্রম কিছু পন্থায় প্রোডাক্ট বিক্রি করে।
আজকাল অনেক ফ্যাশন ব্র্যান্ড তৈরি হচ্ছে,কিন্ত ইন্ডাস্ট্রিতে সবাই টিকে থাকতে পারছে না। কিন্তু 'আরময়ের' এখনও এগিয়ে যাচ্ছে এবং সমসাময়িক ফ্যাশনের প্রতি তাদের উদ্ভাবনী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ব্যবসায় ব্যাপক উন্নতি করছে। ব্র্যান্ডটি এত নির্ভরযোগ্য এবং আশ্চর্যজনক ভাবে জনপ্রিয় হওয়ার অন্যতম কারণই হচ্ছে তাদের নতুন উদ্ভাবন এবং চলমান রীতিকে চ্যালেন্জ জানানো।বর্তমানে তাদের ফেসবুকে ৫.৫ লক্ষ্যধিক ফলোয়ারস আছে।
ইত্তেফাক/জেডএইচডি