ফেসবুক ‘পেজ’ নিয়ে দারুণ খুশি

আনন্দ বিনোদন প্রতিবেদক

 

সহকর্মী অনেকের সঙ্গে নানান সময়ে দেখা হওয়ার পর তার ফেসবুক আইডি জানতে চায়। কিন্তু ফেরদৌসের একটাই জবাব ছিল—আমি ফেসবুকে নেই। কিন্তু কেউই তা বিশ্বাস করতেন না। কারণ কে বা কারা যেন তার নামে একটি ফেসবুক চালাতেন। বারবার নিষেধ করার পরও যিনি আইডিটি পরিচালনা করতেন তাকে নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছিল না। একসময় বাধ্য হয়েই ফেরদৌস নিজের নামে ফেসবুকে একটি পেজ খুলেন,  যার নাম রাখা হয় ‘ফেরদৌস আহমেদ’ (Ferdous Ahmed)। পেজটি কিছুদিনের মধ্যেই ১১ লাখ  ফলোয়ার ফলো করছেন। তবে সম্প্রতি ‘ভার্চুয়াল মার্কেটিং এজেন্সি’র সহযোগিতায় তার পেজটি ভেরিফাইড হয়েছে। এ জন্য দারুণ খুশি নায়ক ফেরদৌস। তিনি বলেন, ‘নানান সময়ে ফেসবুক নিয়ে আমাকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। পরে একটি পেজ ব্যবহার করা শুরু করি। কয়েকদিন আগে ভার্চুয়াল মার্কেটিং এজেন্সির সহযোগিতায় আমি ফেসবুক থেকে আমার পেজের ব্লু বেজ পাই। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আমার পেজটিকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষের প্রতি এবং যারা আমাকে সহযোগিতা করেছে অর্থাত্ ভার্চুয়াল মার্কেটিং এজেন্সির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আমার ভক্তদেরকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই যে তারা আমাকে, আমার কাজকে নিয়মিত আমার পেজে ফলো করছেন। এখন থেকে আমার কাজের আপডেট পাওয়া যাবে এই পেজে। আশা করছি সবাই আমার পেজের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবেন। আর আমার জন্য দোয়া করবেন যেন আগামীতে আরো ভালো ভালো কাজ দর্শকদের উপহার দিতে পারি।’  উল্লেখ্য, চিত্রনায়ক ফেরদৌসের পেজ ম্যানেজমেন্টে  সার্বক্ষণিকভাবে দায়িত্বে রয়েছে ‘ভার্চুয়াল মার্কেটিং এজেন্সি’। এদিকে লকডাউনের পরপরই ফেরদৌস-পূর্ণিমা অভিনীত ‘গাঙচিল’ সিনেমার কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা এখনো শুরু হয়নি। শেষ হয়নি ‘জ্যাম’ সিনেমারও কাজ। এদিকে ফেরদৌস লকডাউনের দিনগুলোতে রাজধানীর বনানীতে নিজ বাসাতেই সময় কাটিয়েছেন পরিবারের সঙ্গে। ফেরদৌস জানান, লকডাউনের দিনগুলোতে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর একটা দারুণ সুযোগ পেয়েছেন। স্ত্রী, কন্যা এবং মায়ের সঙ্গে নিরিবিলি সময় কাটিয়েছেন তিনি।