কচুয়া-আড়াইপাড়া বেহাল সড়কে ভোগান্তি

সখীপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা

খানাখন্দে বেহাল সখীপুর ও ভালুকা উপজেলার সীমান্তবর্তী কচুয়া-আড়াইপাড়া পাকা সড়ক। সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে যানবাহন চালক ও পথচারীদের। প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। সড়কে গাড়ি আটকে প্রায়ই সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। চলতি বর্ষার শুরু থেকে এ ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।

সরেজমিন দেখা যায়, পাকা সড়কের ইট-খোয়া ও বিটুমিন উঠে বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তে পরিণত হয়েছে। নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় গর্তগুলোতে বৃষ্টির পানি জমে ক্রমেই খাদ তৈরি হচ্ছে। আর এই খাদে প্রতিদিনই পণ্য ও যাত্রীবাহী যানবাহন আটকে যাচ্ছে। সড়ক দিয়ে টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুরসহ কয়েকটি জেলার বিভিন্ন মালবাহী ট্রাক ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক হয়ে রাজধানীতে যায়।

ট্রাকচালক মজনু মিয়া ও আবদুল হালিম জানান, সখীপুর ও ভালুকা উপজেলার সীমান্তবর্তী কচুয়া-আড়াইপাড়া পাকা সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ সড়ক দিয়ে বাঁশ, ধান, লাকড়ি, কাঁচামালসহ নানা ধরনের মালামাল নিয়ে ঢাকায় যেতে হয়। এছাড়াও এ সড়কে ইট, বালু, মাছ ও পোল্ট্রি মুরগির খাদ্য নিয়ে প্রতিদিনই অসংখ্য ট্রাক চলাচল করে থাকে। কিন্তু বর্তমানে সড়কের গর্ত থাকায় সময় ও খরচ বেড়ে গেছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল হাশেম বলেন, তিন কিলোমিটারের এ সড়কে বছরখানেক আগে সংস্কারের কাজ করা হয়েছে। কিন্তু বছর না যেতেই সড়কটির পিচ খোয়া উঠে যায়। কচুয়া বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলীম বলেন, মালামাল পরিবহনে আমাদের খরচ বেড়ে গেছে।

সখীপুর এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী ফরিদ আহমেদ বলেন, গুরুত্বপূর্ণ এ সড়ক দিয়ে মালবাহী ভারী ট্রাক চলাচল করায় সড়কটি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সম্প্রতি সড়কটি এলজিইডি টাঙ্গাইলের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম পরিদর্শন করেছেন। সড়কটির দুই পাশ প্রশস্তকরণসহ ১৮ ফুট চওড়ায় সংস্কার ও উন্নীত করার জন্য প্রস্তাবনা করা হয়েছে। চলতি বর্ষায় চলাচলের সুবিধার জন্য খানাখন্দগুলোতে ইট-খোয়া ও বালু ফেলে ভরাট করে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।