জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বাঙালি জাতিকে বিশ্বসভায় আত্মপরিচয় নিয়ে চলার পথ তৈরি করে দিয়েছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ, লাল-সবুজের পতাকা, ১৯৭২-এর সংবিধান দিয়ে গেছেন বিশ্ববরেণ্য এই ক্ষণজন্মা মহাপুরুষ। দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই ছিল তার রাজনীতি ও আন্দোলনের মূল দর্শন। বঙ্গবন্ধুর ৪৬তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস-২০২১ উপলক্ষ্যে গতকাল সোমবার জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের উদ্যোগে সংসদ ভবনের শপথকক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভা, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।
১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় অনুষ্ঠানে। শহিদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় সংসদ সচিবালয় মসজিদের ইমাম কারি আবু রায়হানের পরিচালনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
হুইপ আতিকুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা প্রকৃতপক্ষে বাঙালি জাতিসত্তাকে বিনষ্ট করার প্রয়াস ছিল। হুইপ ইকবালুর রহিম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে স্বাধীন বাংলাদেশ হতো না, আমরা এমপি-মন্ত্রী হতে পারতাম না, ব্যাংক-বিমা-করপোরেশন কিছুই হতো না।’ সংসদ সচিবালয়ের সচিব কে এম আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে এবং পরিচালক তারিক মাহমুদ ও উপপরিচালক সামিয়া রুবাইয়াত হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে জাতীয় শোক দিবস আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক উপসচিব এস এম মঞ্জুর কবিতা আবৃত্তি করেন।