ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. মফিজুল ইসলাম পাটোয়ারীর পরিশ্রম এবং একক প্রচেষ্টায় ১৯৯৫ সালের ৭ এপ্রিল দেশের অন্যতম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ইউনিভার্সিটিতে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের ছাত্রছাত্রীদের গুরুত্ব সহকারে পাঠদান দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশে এর চাহিদা দিন দিন বেড়ে চলেছে। ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে গ্লোবাল সিস্টেম থেকে শুরু করে বিদ্যুত্শক্তি উত্পাদন পর্যন্ত তড়িত্ প্রকৌশলীরা প্রযুক্তির একটি বিশাল স্থান দখল করে আছেন। তারা বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার এবং ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশের নকশা প্রণয়ন, আবিস্কার বা উদ্ভাবন, নিরীক্ষণ করে থাকেন। আর এই কারণে এ বিষয়ের ডিগ্রিধারীদের দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থান হচ্ছে। এসব বিবেচনায় এনে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে যুগোপযোগী পাঠ্যসূচি ও অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরির মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের গড়ে তোলা হচ্ছে। এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে ০১৯৩৯৮৫১০৬ এই নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে।
এর মূলে যিনি রয়েছেন, তিনি হলেন বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সদ্য সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম। তিনি এ বিভাগের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদযাত্রা শুরুর প্রথম দিকেই ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে ইউনিভার্সিটির ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় সাত হাজার। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী এখানে অধ্যয়ন করছেন। এ ইউনিভার্সিটিতে বর্তমানে পার্মানেন্ট দুই শতাধিক শিক্ষক রয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগরসহ বিভিন্ন পাবলিক ইউনিভার্সিটির অধ্যাপকরা ক্লাস নিয়ে থাকেন। বিভাগীয় চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল বাসেত। তিনি জানান, তড়িত্ ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রকৌশল বিদ্যার একটি প্রধান শাখা, যা মূলত তড়িত্, ইলেকট্রনিক ও তড়িত্ চুম্বক নিয়ে কাজ করে। ইলেকট্রিক্যাল ইলেকট্রনিক বিদ্যুত্ উত্পাদন সরঞ্জাম, বৈদ্যুতিক মোটর, রাডার এবং নেভিগেশন সিস্টেম, যোগাযোগ ব্যবস্থা, অটোমোবাইল, জাহাজ ও বিমানের বৈদ্যুতিক সিস্টেম প্রভৃতি বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম উত্পাদনের সঙ্গে জড়িত। পাওয়ার প্লান্ট, শিল্পকারখানার যন্ত্রপাতি, বৈদ্যুতিক মোটর, অটোমোবাইল, এয়ার ক্রাফট এবং সব ধরনের ইঞ্জিনের ডিজাইন, উত্পাদন এবং পরিচালনা করে। এ ছাড়া বৈদ্যুতিক শক্তি ব্যবহারের উন্নত পদ্ধতি গবেষণা ও ডিজাইন করার মতো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উল্লিখিত বিষয় নিয়ে আমরা ছাত্রছাত্রীদের পাঠ্যসূচি প্রণয়ন করেছি। এ ট্রিপল ই প্রোগ্রামের জন্য টিউশন ফি নেওয়া হয় তিন লাখ ৯০ হাজার টাকা। ডিপ্লোমাধারীদের জন্য সান্ধ্যকালীন কোর্স ফি নেওয়া হয় এক লাখ ৯৯ হাজার ৫০০ টাকা। বিদেশি ছাত্রছাত্রীদের জন্য টিউশন ফি চার লাখ ২৫ হাজার টাকা।