৭৮ রানেই অলআউট ভারত

হেডিংলি টেস্ট

 স্পোর্টস ডেস্ক

সেই গত ফেব্রুয়ারিতে চেন্নাই টেস্টের পর গতকাল হেডিংলি টেস্টে টস জিতেছিলেন ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ব্যাট করার। কিন্তু পরবর্তী সময়ে কী হবে, তা আগে জানলে হয়তো সিদ্ধান্ত থেকে সরেই আসতেন তিনি। জেমস অ্যান্ডারসনের নেতৃত্বে দুর্দান্ত বোলিং নৈপুণ্যে ভারতকে মাত্র ৭৮ রানেই অলআউট করে ইংল্যান্ড। আগে ব্যাট করতে নেমে এটি কোহলিদের তৃতীয় সর্বনিম্ন স্কোর। জবাব দিতে নেমে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ইংল্যান্ডের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ২১ রান।

৫৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে লাঞ্চে গিয়েছিল ভারত। পরের সেশনেই কি না ২২ রানে হারিয়ে ফেলেছে শেষ ৬ উইকেট। দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছেন রোহিত শর্মা। ১০৫ বল খেলে ১৯ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। চেয়েছিলেন প্রতিরোধ গড়তে, কিন্তু বাকিদের মিছিলে যোগ না দিয়ে তিনিও থাকতে পারেননি। তার আগে সাজঘরে ফিরেছেন ৫ ব্যাটসম্যান। পাঁচটি উইকেটেই অবদান ছিল উইকেটকিপার জস বাটলারের। এর আগে এমনটা করেছিলেন সাবেক অজি উইকেটকিপার ব্র্যাড হাডিন। সেটাও ভারতের বিপক্ষে ২০১৪ সালে। হেডিংলিতে দিনের শুরু থেকেই ছন্দ খুঁজে পায় ইংল্যান্ড। প্রথম ওভারেই শূন্য রানে ওপেনার লোকেশ রাহুলকে ফেরান অ্যান্ডারসন। একই ভাবে পঞ্চম ওভারে তুলে নেন চেতেশ্বর পুজারাকেও (৪)। তারপর সেই কাঙ্খিত লড়াই। যেখানে আবারও জয়ের হাসি ফুটে ওঠে অ্যান্ডারসনের মুখে।

চিরচেনা ভঙ্গিমায় অফ স্ট্যাম্পের বাইরের বল খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে আসেন কোহলি। ৭ রানে আউট হওয়ার ফলে তার সেঞ্চুরি না পাওয়ার ধারাবাহিক ইনিংসের সংখ্যা স্পর্শ করল ফিফটিতে।

এরপর অজিঙ্কা রাহানের ১৮ রান ছাড়া আর কেউই দুই অঙ্ক স্পর্শ করতে পারেননি। অ্যান্ডারসন ছাড়াও ৩ উইকেট পেয়েছেন সিরিজে প্রথম ইংলিশ একাদশে ঢুকা ক্রেইগ ওভারটন। পরপর দুই বলে রোহিত ও মোহাম্মদ শামিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা তৈরি করেছিলেন এই পেসার। সুযোগ পেয়েছিলেন স্যাম কারানও। কিন্তু কেউই পারেননি। বাকি দুটি উইকেট নিয়েছেন ওলি রবিনসন।   

টেস্টে প্রথম ইনিংসে ভারতের সর্বনিম্ন সংগ্রহ

স্কোর  প্রতিপক্ষ         ভেন্যু           সাল

৭৫       ওয়েস্ট ইন্ডিজ        দিল্লি                ১৯৮৭

৭৬       দক্ষিণ আফ্রিকা     আহমেদাবাদ      ২০০৮

৭৮       ইংল্যান্ড             লিডস/হেডিংলি  ২০২১

৮৩       নিউজিল্যান্ড         মোহালি            ১৯৯৯

৯৬            ইংল্যান্ড      লর্ডস         ১৯৭৯