স্পোর্টস রিপোর্টার
জাতীয় ক্রীড়া নীতি প্রণয়নে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ১৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটিতে চার জন ক্রীড়া সংগঠককে রাখা হয়েছে। আছেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী, বাফুফের সাধারণ সম্পাদক, মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদিকা, বিশ্বকাপ অনূর্ধ্ব—১৯ ক্রিকেট চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক আকবর আলী। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। সদস্যসচিব মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব। অতিরিক্ত সচিব ছাড়াও শীর্ষে রাখা আছে ক্রীড়া পরিদপ্তরের পরিচালক, ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া), বিকেএসপির পরিচালক (প্রশিক্ষণ), ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (ক্রীড়া) বিওএর মহাপরিচালক, সপ্তম স্থান থেকে পালাক্রমে রাখা হয়েছে ক্রীড়া সংগঠক হারুনুর রশিদ, আশিকুর রহমান মিকু, আসাদুজ্জামান কোহিনূর, রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপলকে। ক্ষুব্ধ মিকু এবং কোহিনূর। জাতীয় ক্রীড়া নীতি হবে আর দেশের বরেণ্য সংগঠকদের নাম থাকবে নিচে। এটা মানতে রাজি না ৩০-৪০ বছর শ্রম দেওয়া ক্রীড়া সংগঠকরা। মিকু বিওএর উপমহাসচিব এবং বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক। কোহিনূর বিওএর উপমহাসচিব এবং বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক। তারা মনে করছেন জাতীয় ক্রীড়া নীতি প্রণয়ন কমিটি গঠনে ক্রীড়া এই সব সংগঠকরা যোগ্য সম্মান পাননি। সিনিয়র সংগঠকরা অবাক হয়েছেন ২০ বছর বয়সের তরুণ ক্রিকেটকার আকবর আলী আছেন এই কমিটিতে। তার খেলোয়াড়ি জীবনটাই এখনো পড়ে আছে। তাকে এনে নীতিনির্ধারক তালিকায় দাঁড় করিয়ে দেওয়া হলো।
আসাদুজ্জামান কোহিনূর বলেছেন, ‘এমন কমিটির সভায় তিনি যাবেন না। তিনি বলেন, ‘কেউ যদি যায়, সেটা তার ব্যাপার। এটা সব সংগঠকদের অপমান করা হয়েছে। সারা দুনিয়াতে সংগঠকদের স্থান থাকে ওপরে। আর আমাদেরকে নিচে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।’ আরো ক্ষেপেছেন আশিকুর রহমান মিকু। তিনি বলেন, ‘আমরা তো বাদই। হারুন ভাই একজন সাবেক সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক, দেশবরেণ্য ক্রীড়া সংগঠক। তার নাম নিচে ফেলে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপসচিব, বিকেএসপির পরিচালক প্রশিক্ষণ, সবাই বড় হয়ে গেল। আমরাও ক্ষুব্ধ। দরকার হয় আমরাও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মিটিংয়ে যাব না।’ বিষয়টি জানার জন্য ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলকে ফোনে যোগাযোগ করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।