ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, চিকনগুনিয়া, ফাইলেরিয়া ও জাপানিজ এনকেফালাইটিসসহ বিভিন্ন রোগ ছড়ানোর মাধ্যম হলো মশা। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। শিশুরাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছে, যা অভিভাবকদের জন্য উদ্বেগের বিষয়। বর্ষায় মশা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায়। মশা পুরোপুরি নিধন সম্ভব নয়। মশাবাহিত রোগ থেকে বাঁচতে মশার বিস্তার রোধ করতে হবে। বিস্তার রোধে বছরব্যাপী অভিযান চালাতে হবে। সরকার ও জনগণ যদি একত্রে এ বিষয়ে কাজ না করে, তবে মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। আমাদের সবাইকে নিজেদের বাসা, আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং কোনো জায়গায় যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে। এর পরের দায়িত্ব কর্তৃপক্ষের। কর্তৃপক্ষকে শুধু লার্ভা নিধন করলেই চলবে না, পাশাপাশি পূর্ণবয়স্ক মশা মারতে হবে, ফগিং করতে হবে। সনাতন পদ্ধতি বাদ দিয়ে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মশা নিয়ন্ত্রণের কাজ করতে হবে, যা বেশি সময়োপযোগী। মশা বৃদ্ধির জন্য অপরিকল্পিত নগরায়ণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা, সঠিক পরিকল্পনার অভাব ও মানুষের অসচেতনতা ইত্যাদি বিষয় দায়ী। সব বিবেচনা করে বছরব্যাপী সুষ্ঠু পরিকল্পনা নিয়ে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কার্যক্রম পরিচালনা করলে মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
মো. আরিফুল ইসলাম
শিক্ষার্থী, ফার্মেসি বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়