তালেবানদের হাতে আবার নির্যাতনের শিকার সাংবাদিক

আফগানিস্তানে আবার সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটল। টোলো নিউজ রিপোর্টার জিয়ার খান ইয়াদকে মারধর করলো তালেবানরা। দারিদ্র্য ও বেকারত্ব নিয়ে খবর করায় তালেবান রোষের মুখে পড়েন জিয়ার।

এরপরই সাংবাদিক জিয়ার ইয়াদ ও তার সঙ্গী চিত্রগ্রাহককে বেদম মারধর করা হয়। আগস্টের শুরুতে তুফানি ওমারি নামে এক সাংবাদিককে হত্যা করে তালেবান জঙ্গিরা।

টোলো নিউজের তরফে বৃহস্পতিবার সকালে টুইট করে জানানো হয়, তাদের চ্যানেলের সাংবাদিক জাইর ইয়াদ খান ও তার ক্যামেরাম্যানকে হাজি ইয়াকুব অঞ্চলে দরিদ্রতা, বেকারত্ব নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন। সেই সময়ই তাদের আটক করে তালেবান। পরিচয় পত্র দেখার পর বেধড়ক মারধর করা হয়। এই ঘটনায় গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে বলে জানিয়েছে তালেবান। সাংবাদিক নিগ্রহের ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে তালেবান।

আফগানিস্তানের দখল তালেবানের হাতে যাওয়ার পর থেকে সেখানে সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের কর্মীর ওপর হামলা হচ্ছে। জিয়ারের ঘটনা আফগানিস্তানে কর্মরত সাংবাদিকদের মনে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। অনেকেই এই পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন এবং জিয়ার সহ সাংবাদিক নিগ্রহ ঘটনার তদন্ত দাবি করেছেন। 

এদিকে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে জিয়ারকে হত্যা করেছে তালিবানরা। যদিও, জিয়ার নিজে ট্যুইট করে সেই খবরকে ভুয়ো বলে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, খবর করার সময় কাবুলের নিউ সিটিতে আমাকে তালেবানরা মারধর করে। ক্যামেরা সহ কাজের সরঞ্জাম এবং আমার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনও ছিনতাই করা হয়েছে। তবে, কিছু মানুষ আমার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে দিয়েছেন যা মিথ্যা। তালেবান জঙ্গিরা একটি সাঁজোয়া ল্যান্ড ক্রুজার থেকে বেরিয়ে এসে আমাকে বন্দুকের বাট দিয়ে আঘাত করে। 

তালেবানের সাংস্কৃতিক কমিশনের উপপ্রধান আহমাদুল্লা ওয়াসিকও হত্যার খবর খারিজ করে বলেন, জাহিরকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। 
 

ইত্তেফাক/এফএস