এক আসামির আদালতে স্বীকারোক্তি, মামলা ডিবিতে

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে মা ও ছেলেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় চেষ্টার অভিযোগে সিআইডির এএসপি সারোয়ার কবীর ও দুই জন সদস্যসহ ১০ জনকে আসামি করে দায়ের করা মামলাটি পুলিশের গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করে দিনাজপুর ডিবি পুলিশের ওসি মোস্তাফিজার রহমান জানান, এ বিষয়ে           একটি নির্দেশনা পেয়েছি, কাগজপত্র এখনো পাইনি। তিনি জানান, গ্রেফতার হওয়া পাঁচ আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত নতুন কেউ গ্রেফতার হয়নি।

দিনাজপুরের কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. মনিরুজ্জামান জানান, বুধবার সন্ধ্যায় মামলার অন্যতম আসামি ফসিউল আলম পলাশ দিনাজপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিশির কুমার বসুর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। এছাড়া একই আদালতে মামলার বাদী অপহরণের শিকার জাহাঙ্গীর আলম ও তার মা জহুরা খাতুন এবং দুই সাক্ষীর ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

উল্লেখ্য, দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে মা ও ছেলেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করার অভিযোগে সিআইডির এএসপিসহ পাঁচ জনকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আটক করা হয় এবং অপহূত মা ও ছেলেকে উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে বুধবার চিরিরবন্দর থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ আসামিদের গ্রেফতার দেখিয়ে বিকালে আদালতে সোপর্দ করে। গ্রেফতার হওয়া অন্য তিন জন হলেন—রংপুর সিআইডির এএসআই হাসিনুর রহমান, কনস্টেবল আহসানুল হক ফারুক ও মাইক্রোবাস চালক হাবিব।