ইত্তেফাক রিপোর্ট
সর্বস্তরের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কথাসাহিত্যিক বুলবুল চৌধুরীকে মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। গতকাল রবিবার সকালে সিংটোলা জামে মসজিদে নামাজে জানাজা শেষে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে নেওয়া হয় বুলবুল চৌধুরীর মরদেহ। সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বুলবুল চৌধুরীর ছেলে রাফী চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
বুলবুল চৌধুরীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলা একাডেমি, বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি, বাংলাদেশ পুস্তক বিক্রেতা ও প্রকাশক সমিতি ও জাতীয় কবিতা পরিষদ, প্রকাশনা সংস্থা-পুথিনিলয়, নবান্ন প্রকাশনী, সাপ্তাহিক এই সময় এবং ঢাকা টাইমস প্রভৃতি। এছাড়া শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাংলা একাডেমির পরিচালক ও গ্রন্থমেলা পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব ড. জালাল আহমেদ, বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ, প্রকাশক মাজহারুল ইসলাম, আলমগীর সিকদার লোটন, শাহাদাত হোসেন, শ্যামল পাল, ছড়াকার আমীরুল ইসলাম, শিশুসাহিত্যিক মালেক মাহমুদ, কথাসাহিত্যিক মাহবুব রেজা, জামাল রেজা, হাবিবুল্লাহ ফাহাদ, কবি রুদ্র আরিফ, অনন্ত উজ্জ্বল, হানিফ খান, গবেষক কাজল ঘোষ, হাবিবুর রহমান রুবেল, তপন মাহমুদ প্রমুখ।
বুলবুল চৌধুরীর ছেলে রাফী চৌধুরী বলেন, আমার বাবা গোছানো মানুষ ছিলেন না। তার রচনাগুলো বিক্ষিপ্ত আকারে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। তার বন্ধুরা আমাকে কথা দিয়েছেন, রচনাগুলো এক করতে সাহায্য করবেন।
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, বুলবুল চৌধুরীর বিকল্প শুধু তিনিই।
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ নুরুল হুদা বলেন, বাংলা একাডেমি বুলবুল চৌধুরীর রচনাবলি প্রকাশের চেষ্টা করবে। তিনি বলেন, গল্প লিখে পরিচিত হলেও বুলবুল চৌধুরী জীবনের শুরুতে কবিতা ও ছড়া লিখেছেন। তার গল্পের মাধ্যমে বিভিন্ন মানুষের অভিজ্ঞতা পাওয়া যেত।