আফগানিস্তানে তালেবানের অন্যতম সহযোগী সংগঠন হাক্কানি নেটওয়ার্ক। মার্কিন বাহিনীর সর্বেশেষ ফ্লাইটটি কাবুল বিমানবন্দর ত্যাগ করার পর সশস্ত্র গোষ্ঠীটির নেতারাও সেখানে জড়ো হয়েছেন। দলটির এক নেতা দাবি করেছেন, তালেবানরা আফগানিস্তানে শান্তি আনতে পারায় জনগণ খুবই খুশি। খবর প্রকাশ করেছে বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, তালেবানের ওয়েবসাইট পরিচালনাকারী তারিক গজনিওয়াল টুইটে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। সেটিতে দেখা যায়, সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন হাক্কানি নেটওয়ার্কের অন্যতম শীর্ষ নেতা আনাস হাক্কানি।
তিনি বলেন, এটা স্বাভাবিক যে শাসন পরিবর্তন হলে প্রথমে আপনার কিছু চ্যালেঞ্জ থাকবে। এ সময় এই নেতা দাবি করেন যে, কেউ কেউ নিজেদের তালেবান সদস্য দাবি করে মানুষের বাড়িঘর ছিনতাই করছে। তবে তাদের অধিকাংশই এখন কারাগারে বন্দী আছেন।
— Tariq Ghazniwal (@TGhazniwal) August 31, 2021
সুতরাং, স্পষ্টতই এখানে ছোটখাটো কিছু সমস্যা হয়েছে এবং একটি বড় পরিবর্তনও হয়েছে। যখন আপনি বাড়ির ঠিকানা পরিবর্তন করেন তখনও কিছু সামগ্রী হারিয়ে ফেলেন। আর এটি এক শাসন থেকে আরেক শাসনে পরিবর্তন হওয়া, যোগ করেন তিনি।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি জানিয়েছে, তালেবান কর্তৃক আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করার পর থেকে বিভিন্ন স্থানে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর নির্যাতনের খবর পাওয়া গেছে। সংখ্যালঘু হাজারা জনগোষ্ঠীর সদস্যদের ওপর তালেবানরা গণহত্যা করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে আনাস হাক্কানি বলেন, ‘এই তুচ্ছ ঘটনাগুলো আফগানিস্তানে শান্তি চায় না। তারা চায় দেশে আমেরিকার অবৈধ দখল চলতে থাকুক।
আপনারা সাক্ষী যে আমরা শান্তি আনতে সক্ষম হয়েছি। জনগণ খুবই খুশি। আমি এক চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেন, আহত এবং নিহত মানুষদের দ্বারা সবসময় হাসপাতালগুলো পরিপূর্ণ থাকতো। কিন্তু এখন সেই অবস্থা আর নেই।’
ইত্তেফাক/টিএ