মুক্তিযোদ্ধা সেলিম হত্যা মেনে নেওয়া যায় না: এমপি শরীফ

‘মুক্তিযোদ্ধা সেলিম হত্যাকাণ্ড কোনো ভাবে মেনে নেওয়া যায় না। হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়ার মতো কোনো কাজ সে করে নাই।’ আততায়ীর গুলিতে নিহত পাকশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান সেলিমের বাড়িতে শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাতে গিয়ে একথা বলেছেন শামসুর রহমান শরীফ এমপি।

এ সময় তিনি বলেন, ছাত্র অবস্থা থেকে সেলিম ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে তার যথেষ্ট অবদান রয়েছে। কোনো কিছু প্রাপ্তির আশায় তিনি রাজনীতি করতেন না। একজন মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করায় আমি বিব্রত বোধ করছি। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
 
তিনি আরো বলেন, পাকশীর রূপপুরে পুলিশ অফিসারসহ ৬টি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হযেছে। বিয়ষটি আতংকের। দ্রুত হত্যা রহস্য উদঘাটন এবং হত্যাকারী চিহ্নিত করে বিচার নিশ্চিত করার জন্য  উপস্থিত থানার ওসি বাহাউদ্দিন ফারুকীকে তিনি নির্দেশ দেন।

এ সময় নিহতের পরিবারদের মধ্যে দুই কন্যা তমা ও তপা, বোন মিসেস ঝরা বেগম, চাচাতো ভাই শামীম, সুজাসহ আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ রশীদুল্লাহ, জেলা পরিষদ সদস্য সাইফুল ইসলাম বাবু মণ্ডল, পাকশীর চেয়ারম্যান এনাম বিশ্বাস, আওয়ামী লীগ নেতা রেজাউল আলম রাজা, যুবলীগ নেতা আনোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ৬ ফেব্রুয়ারি আততায়ীর গুলিতে নিহত হন মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান সেলিম।

ইত্তেফাক/অনি