কোভ্যাক্সের সহায়তায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফাইজার-বায়োএনটেকের তৈরি করোনাভাইরাসের আরও ১০ লাখ ডোজ টিকা দেশে এসেছে। দেশে আসা ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকার এটি দ্বিতীয় চালান। গতকাল বুধবার বিকাল সাড়ে পাঁচটায় কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে এসব টিকা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসে। এ সময় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল আর. মিলার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশিদ আলমসহ বাংলাদেশ সরকারের অন্যান্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
গত ৩১ মে রাতে প্রথম চালানে ফাইজার-বায়োএনটেকের ১ লাখ ৬২০ ডোজ টিকা দেশে আসে। এ নিয়ে এই ওষুধ কোম্পানির মোট ১১ লাখ ৬২০ ডোজ কোভিড টিকা দেশে এল। ফাইজারের এই চালান আসার আগে গত সোমবার রাতে চীনের সিনোফার্মের তৈরি আরও ২০ লাখ ডোজ কোভিড টিকা দেশে পৌঁছে।
বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. লোকমান হোসেন মিঞা সাংবাদিকদের বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এখন পর্যন্ত ফাইজারের ১১ লাখ ডোজ এবং মডার্নার ৫৫ লাখ ডোজ টিকা এসেছে। এ মাসে আরও টিকা আসবে। আমরা আশা করছি এ মাসে আরও ৫০ লাখের বেশি ডোজ ফাইজারের টিকা পাব। করোনাভাইরাস মহামারীর এই সময়ে টিকা মানুষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। টিকা সরবরাহ করে সহায়তা করায় আমেরিকান সরকার এবং কোভ্যাক্সকে ধন্যবাদ জানাই।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা আমেরিকার জনগণের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণের জন্য ফাইজারের তৈরি এই ১০ লক্ষ টিকা উপহার দিতে পেরে আনন্দিত। এই চালান ত্বরান্বিত করার জন্য কোভ্যাক্স’র প্রতি কৃতজ্ঞ।
টিকা সরবরাহের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্সের আওতায় ফাইজার, মর্ডানা ও অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ছাড়াও চীন থেকে কেনা সিনোফার্মের টিকার চালান এখন নিয়মিতই আসছে দেশে।