কাশ্মীরের স্বাধীনতার দাবির পক্ষের নেতা সৈয়দ আলি গিলানি ৯২ বছর বয়সে তার শ্রীনগরের বাড়িতে মারা গেছেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবত শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। কাশ্মীরে ভারতীয় শাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সময় প্রচারণা চালানো এই নেতা গত ১১ বছরের অধিকাংশ সময়ই গৃহবন্দি ছিলেন। ভারত প্রশাসন তাকে বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হিসেবে বিবেচনা করতো। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে গিলানির শেষকৃত্য অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। তার শেষকৃত্যে শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যদের যোগ দিতে অনুমতি দেয় কাশ্মীরের পুলিশ। গিলানির মৃত্যুর খবর তার বাড়ির কাছের মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয় এবং সেখান থেকে আহ্বান জানানো হয় যেন সবাই তার বাড়ির কাছে জড়ো হয়। গিলানির মৃত্যুর পর উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে এমন আশঙ্কায় শ্রীনগরে নিরাপত্তার কড়াকড়ি বাড়ায় ভারতের প্রশাসন। গিলানির বাড়ির আশেপাশের রাস্তায় কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে প্রতিরোধ তৈরি করে তারা। বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া খবরে বলা হয়, সেখানে ইন্টারনেট সেবা এবং ফোন বন্ধ করে দেওয়া হয়। শহরে কারফিউ দেওয়া হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। —বিবিসি