ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের পাশে গাড়াগঞ্জে ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্মিত ড্রেন জনগণের কোনো উপকারে আসছে না। বরং এতে মানুষের দুর্ভোগ আরো বেড়েছে।
ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কে গাড়াগঞ্জ একটি ব্যস্ততম বাসস্ট্যান্ড। সড়কের দুই পাশে সড়কের জায়গা বেদখল করে গড়ে তোলা হয়েছে বাজার। মাটি তুলে রাস্তা থেকে উঁচু করে বসেছে দোকানপাট। বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি গড়াতে পারে না। পানি জমে রাস্তার ওপর। এতে ঐ স্থানে রাস্তা ভেঙে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়। কাদা পানি জমে জনদুর্ভোগের সৃষ্টি করে। গত বছর সড়ক মেরামত কাজের সময় সড়কের পানি নিষ্কাশনের জন্য ২৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি মজবুত ড্রেন নির্মাণ করে সড়ক ও জনপথ। দুই পাশের বেদখলকারী দোকানদাররা ড্রেনে পানি গড়ানো পয়েন্টগুলো মাটি ফেলে বন্ধ করে দিয়েছে। ড্রেনের ওপর পর্যন্ত দোকানপাট বসেছে। মানুষ চলাচল করতে পারে না। বৃষ্টিতে সড়কের পাশে আগের চেয়ে বেশি পানি জমে কাদা হচ্ছে। ফলে ড্রেনটি কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলেছে। জেলার অন্য কোথাও মহাসড়কের পাশে ড্রেন নির্মাণের নজির নেই।
ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী মুকুল জ্যোতি বসু জানান, সড়ক ও জণপথের জায়গা থেকে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করে মাটি সরিয়ে ড্রেনটি কার্যকর করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। এদিকে ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের ঝিনাইদহ অংশের বিভিন্ন স্থানে রাস্তা ভেঙেচুরে খানাকন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
মুকুল জ্যোতি বসু বলেন, রাস্তা পুনর্নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ঠিকাদার কাজ করেননি। আবার নতুন করে ঠিকাদার নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।