স্পোর্টস ডেস্ক
কোপা আমেরিকার ফাইনাল শেষ হয়েছে প্রায় দুই মাস হলো। এরই মধ্যে আবারও মুখোমুখি দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। আজ বাদে কাল বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের খেলা মারাকানা স্টেডিয়ামে নামবে দুই দল। এর আগে গতকাল মহারণের প্রস্তুতিটা জয় দিয়েই শুরু করে তারা। ভেনেজুয়েলাকে ৩-১ গোলে আর্জেন্টিনা ও চিলিকে ১-০ গোলে হারিয়েছে ব্রাজিল।
স্কোরলাইন দেখেই বোঝা যাচ্ছে জয়ের জন্য খুব বেগ পেতে হয়েছে। তেমনটাই কী হওয়ার কথা ছিল না! ভ্রমণ জটিলতার কারণে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ থেকে মূল দলের ৯ খেলোয়াড়কে পায়নি সেলেসাওরা। তারপরও দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে এস্তাদিও মনুমেন্টালে চিলিকে শেষ পর্যন্ত চেপে ধরে রাখে। এর জন্য ধন্যবাদ প্রাপ্য গোলরক্ষক ওয়েভারটন।
দলের সেরা তারকা নেইমার যেন নিজেকে হারিয়ে খুঁজছিলেন। বাকি ফরোয়ার্ডরাও ছিলেন ছন্নছাড়া। ৬৪ মিনিটে ম্যাচের একমাত্র গোলটি আসে বদলি হিসেবে নামা এভারটনের পা থেকে। এ জয়ের পর টানা সাত ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের শীর্ষেই থাকল ব্রাজিল।
অন্যদিকে দ্বিতীয়তে থাকা আর্জেন্টিনার জয়টা সহজেই এসেছে। ম্যাচের ৩২ মিনিটে লিওনেল মেসিকে বাজেভাবে ট্যাকল করায় সরাসরি লাল কার্ড দেখেন আদ্রিয়েন মার্তিনেজ। মেসির অবশ্য খুব বেশি কিছু হয়নি। মৌসুমের প্রথমবারের মতো পুরো ৯০ মিনিট খেলেও গোল পাননি প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি) ফরোয়ার্ড।
তাতে খুব বেশি সমস্যা হয়নি আর্জেন্টিনার। স্তাদিও অলিম্পিকোতে ১০ জনের ভেনেজুয়েলাকে নিয়ে ছেলেখেলা করে আলবেসিলেস্তেরা। বিরতির ঠিক আগে লাওতারো মার্তিনেজ, ৭১ মিনিটে হোয়াকিন কোরেয়া ও ৭৪ মিনিটে আনহেল কোরেয়া নাম লেখান স্কোরশিটে। অতিরিক্ত সময়ে পেনাল্টি থেকে ভেনেজুয়েলার হয়ে সান্ত্বনার গোলটি করেন ইয়াফারসন সোতেলদো।
ম্যাচ শেষে ব্রাজিলের প্রতি হুঙ্কার দিয়ে লাওতারো বলেন, ‘ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচটা দুর্দান্ত হবে নিঃসন্দেহে। এ ম্যাচগুলোই অনন্য, আর আমরা এই ম্যাচের আগে সম্ভাব্য সেরা প্রস্তুতিটাই নেব। আমরা একইভাবে ম্যাচটা খেলার চেষ্টা করব যেমনটা আমরা কোপা আমেরিকার ফাইনালে খেলেছিলাম।’
এ ক ন জ রে
বলিভিয়া ১-১ কলম্বিয়া
ইকুয়েডর ২-০ প্যারাগুয়ে
ভেনেজুয়েলা ১-৩ আর্জেন্টিনা
পেরু ১-১ উরুগুয়ে
চিলি ০-১ ব্রাজিল