বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের ভাই আলতাফ হাওলাদার বাঁধনের ইন্তেকাল

জেপি চেয়ারম্যানের শোক প্রকাশ

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) সংবাদদাতা

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি, ’৯০-এর এরশাদ-বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী, পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ৭ নম্বর গৌরীপুর ইউনিয়নের পৈকখালী গ্রামের বাসিন্দা সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা মরহুম ফজলুল করিম হাওলাদারের মেজো ছেলে এবং হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের মেজো ভাই মো. আলতাফ হাওলাদার বাঁধন (৫৫) বৃহস্পতিবার বিকালে হূদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি...রাজিউন)। তিনি মা, পাঁচ ভাই, দুই বোনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টায় গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে নামাজে জানাজা শেষে মরহুমের লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

পিরোজপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু জাফর মো. নোমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাকিম হাওলাদার, জাতীয় পার্টি-জেপির উপজেলা যুগ্ম আহ্বায়ক ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. মশিউর রহমান মৃধা, পৌর কাউন্সিলর মো. গোলাম সরওয়ার জোমাদ্দার, যুগ্ম আহ্বায়ক ও গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ফাইজুর রশিদ খশরু জোমাদ্দার, জেপি নেতা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আতিকুল ইসলাম উজ্জল তালুকদার, ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি মো. মাসুমুর রহমান বিশ্বাস, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার খান এনায়েত করিমসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ জানাজায় শরিক হন। আলতাফ হাওলাদার বাঁধনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান জাতীয় পার্টি-জেপির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এমপি, দৈনিক ইত্তেফাক ও পাক্ষিক অনন্যা সম্পাদক সাবেক এমপি তাসমিমা হোসেন, ইত্তেফাকের প্রকাশক তারিন হোসেন।

এছাড়াও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান জাতীয় পার্টি-জেপির ভাণ্ডারিয়া উপজেলা আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মনিরুল হক মনি জোমাদ্দার, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মহারাজ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলাম মিরাজসহ বিশিষ্টজনরা। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে প্রয়াতের বাড়িতে যান ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক সীমা রানী ধর।