চট্টগ্রাম অফিস
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে উন্নত বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সঙ্গে এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম বাড়াতে হবে। বিভিন্ন বিভাগ ও ফ্যাকাল্টি ভিত্তিক শিক্ষার মান উন্নয়নে বছরের শুরুতেই কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ রক্ষায় ছাত্র ও শিক্ষকদের মধ্যে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা একান্ত প্রয়োজন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্প্রতি নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য প্রফেসর বেনু কুমার দেকে দেওয়া এক সংবর্ধনা সভায় বিভিন্ন শিক্ষাবিদ উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষকবৃন্দের উপস্থিতিতে রসায়ন বিভাগের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের সংগঠন রেডিকেলের উদ্যোগে উপ-উপাচার্য প্রফেসর বেনু কুমারকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। গত শুক্রবার স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে সালাহউদ্দিন মো. রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আলাউদ্দিন। সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য রাখেন চবি রসায়ন বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো. জাফর আলম, চট্টগ্রাম কলেজের রসায়ন বিভাগের সদ্যবিদায়ি সভাপতি প্রফেসর ড. নূ ক ম আকবর হোসেন, পরিবেশ বিজ্ঞানী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ড. মো. ইদ্রিস আলী, চবি রসায়ন বিভাগের প্রফেসর ড. মো. শাহাবুদ্দিন, প্রফেসর ড. মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া, প্রফেসর ড. মাহবুবুল মতিন, ড. শামসুদ্দিন আজাদ এবং রসায়ন বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র ও চাকসুর সহ-ক্রীড়া সম্পাদক মহিউদ্দিন বাদল।
চবি রসায়ন বিভাগের শিক্ষক চবির উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রদের এক উত্সবমুখর অনুষ্ঠানে পরিণত হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে চবি রসায়ন বিভাগের একজন সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে ১২ বছর দায়িত্ব পালনকালে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় তার অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেন।
প্রাক্তন ভিসি প্রফেসর ড. মো. আলাউদ্দিন বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগসহ বিজ্ঞান শিক্ষা প্রসারে নতুন উপ-উপাচার্যের ব্যাপকভাবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। একজন একাডেমিশিয়ান হিসাবে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পাওয়ায় শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশের ও দেশের বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নিয়ে আসতে পারবেন।