ফিলিস্তিনের বিপক্ষে কঠিন লড়াইয়ে হেরেছে বাংলাদেশ

কিরগিজস্তানে শেষ যখন ম্যাচ খেলেছিল, সেবারও হেরেছিল বাংলাদেশ ফুটবল দল। এবার সাফ প্রস্তুতির ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচেও হার দিয়ে শুরু করল বাংলাদেশ ফুটবল দল। গতকাল রাতে কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেক শহরে ফিলিস্তিন ২-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশকে। সন্ধ্যার পর ঢাকার মিরপুরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের হারের পর রাতে ফুটবলে হারের খবর এসেছে।

ফুটবলে ফিলিস্তিন অনেক শক্তিশালী দল। ফিফার র্যাংকিংয়ে ফিলিস্তিন ১০২ এবং বাংলাদেশ ১৮৮ নম্বরে হলেও ফুটবল মাঠে র্যাংকিং অনেক সময় কাজে আসে না। ৮৬ ধাপ নিচে থাকা বাংলাদেশ ২ গোলে হেরেছে এটা খুব একটা খারাপ নয়। অতীতেও এই দেশের স্কোরলাইন অনেকটাই এমন ছিল। প্রথমার্ধে ১-০, দ্বিতীয়ার্ধে ২-০। স্কোরলাইন আরো বড় হতে পারত। বাংলাদেশের গোলকিপার সোহেল রানা এবং রক্ষণের খেলোয়াড়দের নিয়ে যেভাবে ছেলেখেলা করেছে ফিলিস্তিনি আক্রমণভাগ, তাতে স্কোরলাইন বড় হতেও পারত। হয়নি সেটা ফিলিস্তিনের ব্যর্থতায়। ফিলিস্তিন নিজেদের প্রথম ম্যাচে ১-০ গোলে কিরগিজস্তানের কাছে হেরেছে। সেই ঝাল মেটানোর লক্ষ্য ছিল ইয়াসিন, বিশ্বনাথ, রেজাউল, জামাল, তপু, সাদ, মতিন মিয়া, তারিক কাজী, রাকিবদের ওপর।

ফিলিস্তিনকে প্রথমার্ধের ৩২ মিনিট পর্যন্ত ঠেকিয়ে রাখে বাংলাদেশ। ৩৩ মিনিটে গোল হজম করে পিছিয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার চেয়ে আর কোনো গোল না হজম করার লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের, কিন্তু সেটি হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে নেমেই দ্বিতীয় গোল আরো বাজেভাবে হজম করেছে বাংলাদেশ। সবশেষ কথা হলো, ফিলিস্তিন বুঝিয়ে দিয়েছে তারা কতটা শক্তিশালী, বাংলাদেশ কতট পিছিয়ে আছে। বাংলাদেশের খেলা ফেসবুকে দেখা গেছে। যারা দেখেছেন তারা সন্তুষ্ট আরো বড় ব্যবধানে হারেনি। আর অসন্তুষ্টির জায়গা হতে পারে নিজেদের ভুল-ত্রুটিগুলো চোখে পড়ার মতোই। 

 কোচ জেমি ডে বললেন, ‘আমরা জানতাম এটা একটা কঠিন গেম হবে। এটাই হওয়ার কথা। তার পরও প্লেয়াররা অনেক ভালো খেলেছে।’ ফিলিস্তিন জাতীয় দলের কোচ ফরহাত মুসাবিগকোভ বলেন, ‘বাংলাদেশ বিগত সময়ের তুলনায় অনেক উন্নতি করেছে। আমাদের বিপক্ষে তারা দারুণ খেলেছে। তাদের বেশ কিছু চৌকস খেলোয়াড় আছে, যাদের দক্ষতা চোখে পড়ার মতো। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ আরো সমীহ আদায় করবে। আমি তাদের পারফরম্যান্স দেখে মুগ্ধ।’