করোনাকালে সাংবাদিকদের জন্য ১০ কোটি টাকার বিশেষ প্রণোদনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম অফিস

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান বলেছেন, এ বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর। এ বাংলাদেশ তারই সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার। প্রতিদিন প্রতিটি মুহূর্তে মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা। এ বীর চট্টলার প্রতি প্রধানমন্ত্রী সব সময় সহানুভূতিশীল। চলমান বৈশ্বিক করোনাকালে সাংবাদিকদের জন্য ১০ কোটি টাকার বিশেষ প্রণোদনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি গতকাল সোমবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব সভাপতি আলী আব্বাসের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ। যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি সালাহউদ্দিন মো. রেজা, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কলিম সরওয়ার, বিএফইউজের সাবেক সহসভাপতি শহীদ উল আলম, সিইউজের সাধারণ সম্পাদক ম. শামসুল ইসলাম ও প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরী।

ডা. মুরাদ হাসান বলেন, ৩০ লাখ শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা কারো দয়ার দান নয়। স্বাধীনতা অর্জনের মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঈর্ষণীয় কর্মতত্পরতা দেখে জিয়াউর রহমান কিছু কুলাঙ্গারকে সঙ্গে নিয়ে তাকে সপরিবারে হত্যা করেছে, এটাই জিয়ার অবদান। এ হত্যার বিচার বাংলার মাটিতে হবে। তার স্মৃতিতে চট্টগ্রামে কীসের জাদুঘর। সার্কিট হাউজে খুনির নামে জাদুঘর কেন থাকবে? জাতির পিতার খুনির নামে রাষ্ট্রের টাকায় জাদুঘর থাকতে পারে না। প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রামের সার্কিট হাউজে থাকা এ জাদুঘর সরানোর জন্য চট্টগ্রামের সাংবাদিকসহ চট্টগ্রামবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন এম এ হান্নান। সেই ঘোষণার মাইক্রোফোন জিয়ার জাদুঘরে থাকবে না। তা কালুরঘাটে নিয়ে যাওয়া হবে।