মাত্রাতিরিক্ত গতির ড্রাইভিংকে উত্সাহ নয়

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতি বছর নতুন নতুন রেকর্ড গড়ছে মৃতের সংখ্যা। এক্ষেত্রে চালকের ট্রাফিক আইন সম্পর্কে ধারণা না থাকা বড় একটি কারণ হতে পারে। তবে সিংহভাগ দুর্ঘটনার পেছনে বেপরোয়া ড্রাইভিংই দায়ী। অনেক সময় যাত্রীরা পেছন থেকে ড্রাইভারকে বকাঝকা কিংবা গাড়ি জোরে চালানোর জন্য তাগাদা দেন, এতে ড্রাইভার কোনো কিছুর প্রতি ভ্রুক্ষেপ না করে এলোপাতাড়ি গাড়ি চালাতেই থাকেন। ফলে দুর্ঘটনা অনিবার্য হয়ে ওঠে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রতিবেদনে সড়ক দুর্ঘটনার বড় কারণ হিসেবে গাড়ির বেপরোয়া গতিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিগত বছরের (২০২০সালের) সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৬৬৮৬ জন। আহত হয়েছেন ৮৬০০ জন। এর মধ্যে বেশির ভাগ দুর্ঘটনাই গাড়ি চাপার ঘটনা।

করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালে বেশি সময় ধরে লকডাউন থাকা সত্ত্বেও ২০১৯ সালের তুলনায় এ বছর ৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ বেশি সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। মূলত ফাঁকা রাস্তায় উচ্চ গতিই এসব দুর্ঘটনার কারণ। তাই জীবনের কথা বিবেচনা করে ড্রাইভারদের গাড়ি চালানো প্রয়োজন এবং একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে কখনো ড্রাইভারকে তাড়াহুড়ো করে ড্রাইভ করার পরামর্শ দেবো না। আমরা চাই, আর একটি প্রাণও যাতে সড়কে ঝরে না যায়।

আবু মো. ফজলে রোহান, নবগ্রাম, চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্ল­া