স্পোর্টস রিপোর্টার
ইনিংসের পঞ্চম বলেই উইকেট পেয়েছিলেন নাসুম আহমেদ, সঙ্গে মেডেন। পরের ওভারেই নাসুমকে রিভার্স সুইপ খেলে বসলেন ফিন অ্যালেন। ৩ বলে ৬ রান তুলে নেন। দুই জনের দ্বৈরথে শেষ হাসি বাংলাদেশের এ বাঁহাতি স্পিনারের। চতুর্থ বলটা নাসুম একটু জোরের ওপর করেছিলেন, বলও লাফিয়ে উঠেছিল। রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে এবার শর্ট থার্ড ম্যানে সাইফউদ্দিনের হাতে ক্যাচ দেন ফিন অ্যালেন।
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নাসুমের প্রথম শিকারও এ কিউই ওপেনার। বছরের শুরুতে নিউজিল্যান্ড সফরে অভিষেকেই অ্যালেনের উইকেট পেয়েছিলেন তিনি। গতকাল আক্রমণাত্মক হয়ে উঠা এ ওপেনারকে ফিরিয়ে যারপরনাই খুশি নাসুম।
অ্যালেনের পর নিজের শেষ ওভারে পরপর দুই বলে হেনরি নিকোলস ও গ্র্যান্ডহোমকে ফিরিয়ে দেন এ বাঁহাতি স্পিনার। হ্যাটট্রিক না পেলেও কিউইদের ব্যাটিং লাইনে বড় ধাক্কাটা দিয়েছেন তিনি। ১০ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেছেন। ২৪ বলের মধ্যে ১৭টি ডট, দুটি মেডেন মিলে গতকাল বাংলাদেশের জয়ে নাসুমের অবদান অনেক। তাই তো ম্যাচ সেরার পুরস্কারও পেয়েছেন এ তরুণ।
সাকিব আল হাসান থাকলেও বাংলাদেশ দলে টি-২০ তে অন্তত নিজের গুরুত্ব তুলে ধরছেন নাসুম। অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ৫ ম্যাচে ৮ উইকেট, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৪ ম্যাচে ইতোমধ্যে ৭ উইকেট নিয়েছেন তিনি। বল করছেন পাওয়ার প্লেতে। সবমিলিয়ে নাসুমও ভরসা যোগাচ্ছেন বল হাতে। গতকাল জয়ের পর ২৬ বছর বয়সি এ স্পিনার বলেছেন, দলের সবার সমর্থনেই আত্মবিশ্বাস বাড়ছে তার এবং ম্যাচে পারফরম করছেন, দায়িত্ব পালন করতে পারছেন। সিলেটের ছেলে নাসুম বলেছেন, ‘আসলে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়েছি কি না জানি না। তবে দল থেকে অনেক সমর্থন পাচ্ছি। বিশেষ করে অধিনায়ক ও অভিজ্ঞরা আমাকে অনেক সমর্থন করছেন। আর এতে আমার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাচ্ছে।’ মিরপুরের স্লো উইকেটে নিজের সাফল্যের রহস্য তুলে ধরে নাসুম বলেছেন, ‘সিমে একটু হিট করছি বেশি। মাঝেমধ্যে দু একটা ক্রস সিমেও বল করেছি। উইকেট একটু টার্নিং উইকেট ছিল, চেষ্টা ছিল একটা জায়গায় বল করা।’