পশ্চিমবঙ্গের ভবানীপুর আসনের উপনির্বাচনে মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে দুর্বল প্রার্থী দিয়ে হাল ছেড়ে দিল বিজেপি! গতকাল শুক্রবার আইনজীবী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়ালকে বিজেপি ঐ কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণা করায় এমনটাই মনে করছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহল। তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, বিধানসভা নির্বাচনের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রোজ পশ্চিমবঙ্গে আসতেন। এবার তারা আসছেন না কেন? তারা কি ফলাফল আগেই বুঝতে পেরে গেছেন?
বিজেপি প্রার্থী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল বিজেপির সর্বভারতীয় মুখপাত্র। পেশায় আইনজীবী, তবে ভোটের রাজনীতিতে অভিজ্ঞতা কম। এর আগে ২০১৪ সালে পৌরসভা নির্বাচন এবং গত মে মাসে বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হন। যদিও বিজেপির দাবি, মমতার বিরুদ্ধে তিনিই দলের যোগ্য মুখ। বিজেপি নেতা তথাগত রায়, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ তার প্রশংসা করেছেন। তবে প্রিয়ঙ্কার বড় পরিচয় তিনি বাবুল সুপ্রিয়র আইনজীবী ছিলেন।
গতকাল শুক্রবার মমতা ব্যানার্জি ভবানীপুর আসনের উপনির্বাচনের জন্য মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। বিজেপির প্রার্থী ঘোষণার পর তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের বক্তব্য মমতা ভোটের আগেই জিতে গেছেন। ঘটনাচক্রে এই কেন্দ্রে লড়াই এবার তিন আইনজীবীর। মমতা ব্যানার্জি ১৯৮২ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত যোগেশচন্দ্র চৌধুরী কলেজ থেকে আইনে ডিগ্রি লাভ করেন। সিপিএমের শ্রীজীব বিশ্বাসও পেশায় একজন আইনজীবী।
এদিকে বিজেপি সূত্রে খবর, হার একরকম নিশ্চিত। তাই বিজেপির নামি কেউই মমতার বিরুদ্ধে প্রার্থী হতে চাননি। প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল রাজি হয়েছেন। কারণ তিনি হারলেও বলতে পারবেন মমতার বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলেন। তার সর্বভারতীয় পরিচিতি বাড়বে।