বরিশাল নগরীর শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, জেনারেল হাসপাতাল ও শহীদ অ্যাডভোকেট আব্দুর রব সেরনিয়াবাত আইন মহাবিদ্যালয় এলাকাকে ‘নীরব এলাকা’ ঘোষণা করা হয়েছে। এই তিন এলাকায় শব্দদূষণ রোধে প্রচারণা চালিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়।
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্পের আওতায় বৃহস্পতিবার শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, জেনারেল হাসপাতাল ও শহীদ অ্যাডভোকেট আবদুর রব সেরনিয়াবাত আইন মহাবিদ্যালয় এলাকায় এ প্রচারণা চালানো হয়।
বরিশাল জেলা তথ্য অফিসের এই প্রচারণায় স্থানীয়দের শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা-২০০৬ অনুসারে নীরব এলাকায় হর্ন না বাজানোর বিষয়ে সচেতন করা হয়। এতে আরো জানানো হয়, শব্দদূষণের ফলে শ্রবণশক্তি হ্রাস ও স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়। এতে উচ্চ রক্তচাপ ও ফুসফুসজনিত জটিলতা, ক্ষুধামন্দা, হূদেরাগ, মস্তিষ্ক বিকৃতি, অনিদ্রা ও স্মরণশক্তি হ্রাস পায়।
প্রচারণায় অংশ নেওয়া বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সমন্বয়কারী রফিকুল আলম জানান, প্রথম পর্যায়ে সবাইকে সচেতন করার উদ্দেশ্যে প্রচার-প্রচারণা চলছে। দ্বিতীয় ধাপে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে কঠোরতা অবলম্বন করা হবে। এরপরও শব্দদূষণ না কমলে সরাসরি আইন প্রয়োগ করা হবে।
আর পরিবেশ অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক তোতা মিয়া জানান, আইন অমান্যকারীরা এক মাস কারাদণ্ড বা ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। পরবর্তী অপরাধের জন্য অনধিক ছয় মাস কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।