‘সাকিব আমাকে বলছে আমাদের ভালো সুযোগ আছে এবার। সাকিবের মতো খেলোয়াড় যখন বলে, এবার ভালো সুযোগ আছে তার মানে দলের ওপরও তার আত্মবিশ্বাস আছে। যেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
স্পোর্টস রিপোর্টার
টানা তিনটি টি-২০ সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ দল। জিম্বাবুয়ে সফরের পর ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ জয়ের গৌরব অর্জন করেছে টাইগাররা। র্যাংকিংয়ের ১০ থেকে ছয়ে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। কিন্তু এমন সাফল্যের পরও আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সম্ভাবনা নিয়ে সন্দিহান অনেকে। কন্ডিশনের ভিন্নতা চিন্তার খোরাক যোগাচ্ছে।
কারণ হোম কন্ডিশনে স্লো, লো উইকেটে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডকে ঘায়েল করেছে মাহমুদউল্লাহ বাহিনী। বিশ্বকাপে নিশ্চিতভাবেই এমন কন্ডিশন থাকবে না। সিরিজের শেষ ম্যাচে তুলনামূলক ভালো উইকেটে নিউজিল্যান্ডের কাছে ২৭ রানের হার চিন্তার পারদ উপরে তুলে দিয়েছে। বিশ্বকাপ প্রস্তুতি নিয়ে উচাটান রয়েছে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের মনেও।
তবে সাকিব আল হাসানের কথায় ভরসা পাচ্ছেন বোর্ড সভাপতি। সিরিজের পঞ্চম ম্যাচটা না খেলে প্রেসিডেন্টস বক্সে ছিলেন সাকিব। সেখানেই নাকি পাপনকে বাঁহাতি এ অলরাউন্ডার বলেছেন, বিশ্বকাপে ভালো সম্ভাবনা আছে বাংলাদেশের।
গত শুক্রবার রাতে বিসিবি সভাপতি বলেছেন, ‘সাকিব আমাকে বলছে আমাদের ভালো সুযোগ আছে এবার। সাকিবের মতো খেলোয়াড় যখন বলে, এবার ভালো সুযোগ আছে তার মানে দলের ওপরও তার আত্মবিশ্বাস আছে। যেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
করোনার কারণে পরিকল্পনা মতো প্রস্তুতি হয়নি উল্লেখ করে পাপন বলেছেন, ‘টি-২০ বিশ্বকাপ নিয়ে আমাদের যে পরিকল্পনা তা ঠিকঠাক করতে পারিনি। একটা সমস্যা ছিল আমাদের দেশে কাউকে আনা কিংবা অন্য দেশে গিয়ে আমাদের খেলা। প্রথম এক বছর তো গেছে শঙ্কায়, খেলাধুলা নিয়ে কিছুই ছিল না। একটা লম্বা সময় বিরতি ছিল। আমি বলব না যে প্রস্তুতি খুব একটা ভালো হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী হয়নি।’
লিটন দাস, সৌম্য সরকার, মুশফিকুর রহিমদের রান খরায় চিন্তিত নন বিসিবি সভাপতি। তার আশা, বিশ্বকাপের আগে নিজেদের প্রস্তুত করে নিবেন ব্যাটসম্যানরা।
আগামী এক বছরের মধ্যে টি-২০ তে শক্তিশালী হবে বাংলাদেশ, এমনটাই আশা পাপনের। তিনি বলেছেন, ‘আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি, এক বছরে আমাদের টি-২০ তেও শক্তিশালী একটা দল হবে। এ মুহূর্তে দল খুব শক্তিশালী তা না। যেকোনো ফরম্যাটে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, নিউজিল্যান্ড আমাদের চেয়ে অনেক ভালো দল। এগুলো অস্বীকারের পথ নেই।’