‘দীর্ঘ ১৭ মাস পর আগামী ১২ সেপ্টেম্বর রবিবার থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পাঠদানকালে যদি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যায়, তাহলে প্রয়োজনে আবারও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হবে।’
গতকাল শনিবার জামালপুর শহরের ফৌজদারী মোড়ে পৌর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দিপু মনি এসব কথা বলেন। কোনো শিক্ষার্থী বা তার পরিবারের কেউ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে বা উপসর্গ দেখা দিলে তাদের বিদ্যালয়ে না আসার অনুরোধ জানিয়ে ডা. দিপু মনি বলেন, বছরের শেষ ভাগে এসএসসি ও এইচএসসির পাশাপাশি পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক সমাপনী, অষ্টম শ্রেণির জেএসসি ও জেডিসি এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়ার বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে বর্তমান সরকারের।
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একদিকে রাষ্ট্রীয় কাজ পরিচালনা করছেন, একই সঙ্গে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে অতন্দ্র প্রহরীর মতো দলীয় কর্মী থেকে শুরু করে সব সাধারণ মানুষের সুবিধা-অসুবিধার দিকে তিনি খেয়াল রাখেন। শেখ হাসিনা শুধু কর্মীবান্ধবই নন, তিনি অত্যন্ত জনবান্ধব ও মাতৃসুলভ একজন মানুষ। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের খাতায় নাম লিখেছে। চিকিত্সাসেবা, রাস্তাঘাট যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা খাতে উন্নয়ন, প্রতি বছর শিশুদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া, গৃহহীনদের ঘর দিয়ে মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দেওয়া থেকে শুরু করে প্রতিটি খাতে দেশ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। গ্রামের মায়েদের কাছে বিকাশে টাকা পাঠাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।’
জামালপুর পৌর শাখা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাসুম রেজা রহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের উদ্বোধন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ। প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরী। পৌর শাখা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিজন কুমার চন্দের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এমপি, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ ফরিদুল হক খান দুলাল এমপি, জামালপুর সদর আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ ইঞ্জিনিয়ার মোজাফ্ফর হোসেন এমপি প্রমুখ।
ঐদিন সন্ধ্যায় মির্জা আজম অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বের কাউন্সিল অধিবেশনে পৌর শাখা আওয়ামী লীগের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। নতুন কমিটিতে মাসুম রেজা রহিমকে পুনরায় সভাপতি ও পৌর মেয়র মো. ছানোয়ার হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।