এমপির হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

নীলফামারীতে ধর্ষণ মামলা করে বিপাকে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী

কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) সংবাদদাতা

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ১৫ দিনেও গ্রেফতার হয়নি ধর্ষণ মামলার আসামি। উলটো আসামির হুমকিধমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বাদী ও তার পরিবার। ধর্ষণের শিকার ঐ ছাত্রী এখন পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। 

সরেজমিন ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ উপজেলা সদর ইউনিয়নের দক্ষিণপুষণা গ্রামের এক ভ্যানচালকের দশম শ্রেণিপড়ুয়া কন্যাকে প্রতিবেশী ছকমল হোসেনের ছেলে মাসুম আলী (২৫) তার বাড়িতে গিয়ে সুযোগ বুঝে জোর করে ধর্ষণ করে। এ সময় কৌশলে ধর্ষণকারী তার মোবাইল ফোনে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে। পরবর্তী সময়ে ঐ ধর্ষক ইন্টারনেটে ধর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে মেয়েটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করলে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা  হয়ে পড়ে।

মেয়েটির বাবা গত ১৮ জুলাই থানায় মামলা করতে যায়; কিন্তু কিশোরগঞ্জ থানাপুলিশ অভিযোগ নেয়নি, বলে দেয় আদালতে মামলা করার জন্য।

পরে ঐ ছাত্রী নিজেই বাদী হয়ে গত ১২ আগস্ট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। ট্রাইব্যুনালের বিচারক কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ২২ ধারায় জবাববন্দি গ্রহণ, ভিকটিমের মেডিক্যাল পরীক্ষা, আলামত জব্দ, প্রয়োজনে ডিএনএ পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়ে নালিশি অভিযোগটি এজাহার হিসাবে গণ্য করে সাত দিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ প্রদান করেন।

বাদীর বাবা বলেন, আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আসামি ও তার স্বজনরা মামলা প্রত্যাহারে ক্রমাগত হুমকি দিচ্ছে। পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা মেয়েকে নিয়ে চরম ভীতির মধ্যে আছি। কিশোরগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল আউয়াল বলেন, আসামি গ্রেফতারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। যে কোনো মুহূর্তে আসামিকে গ্রেফতার করা হবে।