ইত্তেফাক রিপোর্ট
অপহরণের ১০ দিনেও হদিস মিলছে না এসি মিস্ত্রি মাহবুবুর রহমানের (৫০)। গত ২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কদমতলী থানা এলাকা থেকে একটি মাইক্রোবাসে করে তুলে নেওয়া হয় তাকে। এ ঘটনায় ঐ দিনই তার ভাই মাসুদুর রহমান বাদী হয়ে কদমতলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তবে তদন্তে কোনো অগ্রগতি নেই।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কদমতলী থানার ওসি জামাল উদ্দিন মীর বলেন, আমরা মাহবুবকে উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছি। কিন্তু এখনো বলার মতো কোনো অগ্রগতি হয়নি। ঘটনাস্থল থেকে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ জব্দ করা হয়েছে। ফুটেজে দেখা যায়, তাকে একটি নম্বরবিহীন মাইক্রোবাসে তুলে নেওয়া হচ্ছে। মাইক্রোবাসের নম্বর প্লেট থাকলে ভিকটিমকে উদ্ধারের একটি ক্লু পাওয়া যেত। এক প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, পেশাদার অপরাধীরা কাউকে অপহরণ করলে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মুক্তিপণ দাবি করে। মাহবুবকে অপহরণের পর এখন পর্যন্ত সে ধরনের কোনো তত্পরতা চোখে পড়ছে না।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মাহবুবের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার দেবিদ্বার মহিলা কলেজ রোডে। তিনি এক ছেলে, এক মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে ভাটারা থানাধীন জোয়ার সাহারা এলাকার বড় মসজিদের পাশে একটি বাড়িতে থাকেন। তার ছেলে মো. সাদ (১৫) এবং মেয়ে মরিয়ম (১০) মাদ্রাসায় পড়ে। স্ত্রী খালেদা সুলতানা জান্নাত একজন গৃহিণী। এসি মিস্ত্রি হিসেবে কাজের পাশাপাশি মাহবুব তাবলীগ জামায়াতের সঙ্গে জড়িত।
ভাই মাসুদুর রহমান জানান, ৪০ দিনের চিল্লায় ছিলেন মাহবুব। কদমতলী এলাকার শাহী মসজিদে বয়ান শেষে তাবলীগের সাথীদের নিয়ে দাওয়াতে বের হয়ে রায়েরবাগ এলাকায় গেলে তাকে মাইক্রোবাসে তুলে নেওয়া হয়।