ইত্তেফাক রিপোর্ট
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ বলে মন্তব্য করেছেন বক্তারা। এক আলোচনাসভায় তারা বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন জানেই না তার ক্ষমতা কতটুকু। এই প্রতিষ্ঠান-সংক্রান্ত যে আইন আছে, সেটা সম্পর্কে তারা অবগত নয়। অপরাধ ও মানবাধিকারের মধ্যে যে দূরত্ব, তা-ও তারা নির্দিষ্ট করতে পারে না।
গতকাল ভার্চুয়াল এই আলোচনাসভার আয়োজন করে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। এ সময় এক দশক শেষে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কার্যক্রম নিয়ে মূল প্রতিবেদন তুলে ধরেন আসকের সহকারী সমন্বয়ক তামান্না হক। তিনি বলেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনের কোনো ঘটনার ব্যাপারে তথ্যানুসন্ধান করতে গেলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কমিশন অতি সতর্কতা দেখায়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুল হালিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক গোলাম সারোয়ার, আসকের পরিচালক (কর্মসূচি) নীনা গোস্বামী, মানবাধিকার কমিশনের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) কাজী আরফান আশিক, জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী কার্যালয়ের হিউম্যান রাইটস কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন।
আবদুল হালিম বলেন, মানবাধিকার কমিশন বারবার বলে যে তাদের ক্ষমতা নেই। কিন্তু যতটুকু ক্ষমতা আছে, তা-ও তারা প্রয়োগ করে না। গোলাম সারোয়ার বলেন, সম্প্রতি চিত্রনায়িকা পরীমনির ঘটনায় মানবাধিকার লঙ্ঘিত হলেও এ নিয়ে কমিশন কোনো উচ্চবাচ্য করেনি। মানবাধিকার কমিশনের কর্মকাণ্ড হতাশাব্যঞ্জক।
অনুষ্ঠানে মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন কমিশনের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) কাজী আরফান আশিক অভিযোগ নাকচ করেন। নীনা গোস্বামী বলেন, নারায়ণগঞ্জে কারখানায় পুড়ে এত মানুষ নিহত হওয়ার পরও মানবাধিকার কমিশন এ নিয়ে কোনো টুঁ শব্দ করেনি।