বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ হার কমলেও স্বস্তির কারণ নেই। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে করোনা সংক্রমণের হার কমার পর পুনরায় নতুন ভ্যারিয়েন্টে এ ভাইরাসের প্রার্দুভাব দেখা গেছে। আর যেনো সংক্রমণ না বাড়ে সেজন্য অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে, ভ্যাকসিন নিতে হবে এবং বিদেশ থেকে যারা আসেন তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। গতকাল সোমবার উপাচার্য তার কার্যালয়ে গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাত্কারে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সব রোগী দুই সপ্তাহেই সুস্থ হয় না। আরোগ্য হতে কোনো কোনো রোগীর দীর্ঘ সময় লেগে যায়। বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে তা সঠিকভাবে অনুধাবন করতে আরো ছয় মাস পর্যবেক্ষণ করতে হবে। অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কোভিড ফিল্ড হাসপাতালে বর্তমানে ৫০ জনেরও বেশি রোগী এবং কেবিন ব্লকের করোনা সেন্টারে শতাধিক রোগী ভর্তি আছেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় ফিল্ড হাসপাতাল কমপক্ষে আরো ছয় মাস চালু রাখা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া অর্থ বরাদ্দ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন, এটা বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনন্য উদাহরণ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার জন্য যে অর্থ বরাদ্দ দিয়েছেন তার সদ্ব্যবহার করতে হবে।
একই দিনে বিএমআরসির উদ্যোগে ন্যাশনাল হেলথ রিসার্চ স্ট্র্যাটেজি ডিসেমিনেশন বিষয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ। এ সময় শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামানসহ শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।