সাটুরিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যবান্ধব ১০ টাকা দরের (ওএমএস) চালের সঙ্গে পচা চাল মিশিয়ে কার্ডধারীদের মধ্যে বিতরণের অভিযোগ উঠেছে ডিলার অনিল চন্দ্র সাহার বিরুদ্ধে। জানা যায়, সরকারিভাবে প্লাস্টিকের বস্তা ডিলারদের দেওয়া হলেও তিনি পাটের বস্তার পচা চাল কীভাবে পেলেন তা নিয়ে কার্ডধারীদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে? এদিকে ঐ ডিলার গতকাল সকালে ২০১৬ সালের মার্চ মাসের পচা দুর্গন্ধ চাল বিতরণ করেন। এ ব্যাপারে তদন্ত দাবি করেন কার্ডধারীরা। উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলহাজ গোলাম হোসেন বলেন, ঐ ডিলার সরকারের ভার্বমূর্তি নষ্ট করেছেন। তার বিরুদ্ধে প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। সাটুরিয়া বাজারে শহিদ মিনারের পাশে ডিলার অনিল চন্দ্র সাহা কার্ডধারীদের মধ্যে চাল বিতরণ করে আসছেন। গত রবিবার সকালে কার্ডধারীরা আসার আগেই তিনি ২০১৬ সালের পচা ও দুর্গন্ধ চাল মিশিয়ে দেন। এ কাণ্ড দেখে কার্ডধারীরা প্রতিবাদ করলে ডিলার বলেন, সরকার যা দিয়েছে তাই খেতে হবে। গতকাল মঙ্গলবার একই কাণ্ড করলে স্থানীয় লোকজন বাধা দেন । এতে তিনি তাদের উলটো হুমকি দেন। সাটুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন পিন্টু বলেন, যদি গরিবের চালে ভেজাল দেওয়া হয় তাহলে অব্যশই তার শাস্তি হওয়া দরকার। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনকে বলা হবে।
সাটুরিয়া উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শফিকুল আলম বলেন, ‘সাটুরিয়া উপজেলার সব ডিলারকে ভালো মানের চাল দেওয়া হয়েছে। আমরা দিয়েছি প্লাস্টিকের বস্তার চাল। আর তিনি দিয়েছেন ২০১৬ সালের পাটের বস্তার চাল। ঐ ডিলার পাটের বস্তা কোথায় পেলেন তা তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাটুরিয়ার ইউএনও আশরাফুল আলম বলেন, পচা চাল মিশিয়ে কার্ডধারীদের দিয়ে থাকলে ঐ ডিলারের লাইন্সেস বাতিল করা হবে। ইতিমধ্যেই খাদ্যগুদাম কর্মকর্তাকে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।