সাংবাদিক সংগঠনসমূহের নির্বাচিত শীর্ষ নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সংগঠনের নির্বাহী পরিষদের ঢাকায় অবস্থানরত সদস্যদের এক সভায় এই উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
সভায় বলা হয়, কোন ব্যক্তি বিশেষের ব্যক্তিগত দুর্নীতি বা অপরাধের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের তদন্ত ও বিচার হতেই পারে। কিন্তু একটি বিশেষ পেশার সকল সংগঠনের নির্বাচিত শীর্ষ নেতাদের নামে ঢালাও এই সিদ্ধান্ত বিশেষ উদ্দেশ্যমূলক বলে মনে করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। বিষয়টি কিছুটা যুক্তিসঙ্গত হতো, যদি সকল পেশাজীবী সংগঠনের সব নির্বাচিত নেতাদের নামেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো। কিন্তু তা না করে শুধু সাংবাদিক নেতাদের নামে এই সিদ্ধান্ত সুস্থ সাংবাদিকতার প্রতি হুমকি কিনা সে প্রশ্নও উঠেছে। সাংবাদিকদের চাপের মধ্যে রাখার জন্যেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সিদ্ধান্ত, এমনটিই মনে করে বিএফইউজে।
সকল হুমকি, চক্রান্ত প্রতিহত করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অবিচল থেকে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের আহবান জানিয়েছে বিএফইউজে। সভায় বক্তারা বলেন, গণমাধ্যমবান্ধব প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের সঙ্গে সাংবাদিকদের দূরত্ব সৃষ্টি করার জন্য কোন বিশেষ মহলের পরিকল্পনায় বাংলাদেশ ফাইনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাই সাংবাদিক সমাজকে হেয় প্রতিপন্নকারী এই ঢালাও সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএফইউজের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল। বক্তব্য রাখেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ, বিএফইউজের কোষাধ্যক্ষ দীপ আজাদ, দফতর সম্পাদক বরুন ভৌমিক নয়ন, সদস্য খায়রুজ্জামান কামাল, সেবিকা রানী, নূরে জান্নাত আখতার সীমা প্রমুখ।